• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
Headline
হোমনায় ডাকাত সন্দেহে গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে দেয়া কালি মুছে ভাইরাল রিকশাচালক সুপারিশকৃত বিচারকদের হবে ডোপ টেস্ট, বেঁধে দেয়া হলো সময় ভোটারের হাতের কালি শুকানোর আগেই ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছে: শামা ওবায়েদ ‘কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ১০০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে’: কৃষিমন্ত্রী এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ৩–৬ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হবে: মাহদী আমিন সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে ডিএসসিসির বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ক্ষতিকর উপাদানে তৈরি নকল ও ভেজাল পণ্যে বাজার সয়লাব শিক্ষার্থীদের ফলাফলের পাশাপাশি পাঠদানের কার্যকারিতাও মূল্যায়ন করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং লিডার রতনসহ আটক ৩৬৩

Reporter Name / ৩৬ Time View
Update : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা,কুমিল্লা: কুমিল্লার আলোচিত কিশোর গ্যাং নেতা ইমরান হোসেন ওরফে রতনসহ (২৫) এক রাতে ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) একযোগে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া বিভাগের মুখপাত্র মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় তিন দফা অভিযান চালিয়ে ১৬৭৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
রতন কুমিল্লা নগরীর ছোটরা এলাকার মফিজাবাদ কলোনীর আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি মহানগরীর অন্যতম শীর্ষ কিশোর গ্যাং ‘রতন গ্রুপ’ বা ‘আর স্কোয়াড’র প্রধান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, শুক্রবার (২ অক্টোবর) মাগরিবের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কিশোর গ্যাং সন্দেহে জেলার বিভিন্ন থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, অভিযানে কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে এবং প্রত্যেকটি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে, যেখানে কিশোর বয়সি বখাটেদের উৎপাত রয়েছে সেসব স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে রতনসহ মোট ৩৬৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উঠতি বয়সি কিশোররা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিতই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, এ বিষয়ে কঠোর মনিটরিং করা এই অভিযানে পুলিশ সুপারসহ পুলিশের সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান। তিনি আরও বলেন, এখনো অভিযান চলছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category