• বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হজযাত্রীদের বাড়িভাড়া চুক্তি সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে: ধর্ম উপদেষ্টা ‘নির্বাচনি মাঠে কেউ বাড়াবাড়ি করছে কিনা তা জানতে চেয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত’ ঢাকায় মেট্রোরেলের পরিসর আরও বাড়ানো হবে : জামায়াত আমির মির্জা আব্বাস দেশের ‘এক নম্বর ক্রিমিনাল’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভোটের বিনিময়ে জান্নাতের কথা বলা জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি: সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচনে জরুরি পরিস্থিতিতে প্রস্তুত বিজিবির ডগ স্কোয়াড-হেলিকপ্টার সরকারকে অবহিত না করেই ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার সরিয়ে নেয়া হয়েছে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আগামীকাল থেকে ঢাকাসহ তিন জেলায় নামছে ৩৮ প্লাটুন বিজিবি অন্তর্বর্তী সরকার কেন বিচার বিভাগকে পঙ্গু করে রেখেছে: এ কে আজাদ তারেক রহমানের প্রতি মানুষ আশা দেখতে পাচ্ছে: মির্জা ফখরুল

গুলশানের বাসায় তল্লাসি : ৩০০ কোটি টাকার লোভে সাবেক তত্ত্বাবধায়কের উসকানি

প্রভাত রিপোর্ট / ১৩৭ বার
আপডেট : বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫

সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর ইমামের সাবেক স্ত্রীর গুলশানের বাসায় ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা পাওয়া যেতে পারে- এমন তথ্য দিয়ে ওই বাসায় তল্লাশি চালাতে উসকানি দেন বাসার সাবেক তত্ত্বাবধায়ক জুয়েল খন্দকার (৪৮)।

এ ঘটনায় আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন- শাকিল খন্দকার (২৪) ও শাকিল আহমেদ (২৮)। এদের মধ্যে শাকিল খন্দকার জুয়েল খন্দকারের ছেলে।
বুধবার (৫ মার্চ) পুলিশের বরাত দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গুলশানের ওই বাসায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ, অস্ত্র ও আওয়ামী লীগের দোসরদের লুকিয়ে রাখা হয়েছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মধ্যরাতে দরজা ভেঙে তল্লাশির নামে ২০-২৫ জন ব্যক্তি ঢুকে পড়েন। তারা তল্লাশির অজুহাতে সেখানে প্রবেশ করে বাসাটি তছনছ, ভাঙচুর ও লুটপাটের চেষ্টা করেন।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টায় ঘটনাস্থলে যান গুলশান জোনের ডিসি, গুলশান থানার ওসিসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সেখান থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শাকিল আহমেদ একসময় ওই বাসায় কেয়ারটেকারের কাজ করতেন। তিনিই মূলত ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা পাওয়া যেতে পারে- এমন তথ্য দিয়ে ওই বাসায় তল্লাশি চালাতে উসকানি দেন।

এদিকে তল্লাশির নামে বাসায় ভাঙচুর ও লুটপাটের চেষ্টার ঘটনায় করা মামলায় তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. ফরিদ হোসেন প্রত্যেক আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড-জামিন উভয়ই নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাত ১১টা ৫০ মিনিটে গুলশান-২ নম্বর রোডের বাসায় ১৪ থেকে ১৫ জন আকস্মিকভাবে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করে। বাসার দুজনকে মারধর করে কী কী আছে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
এক নম্বর আসামি শাকিল খন্দকার আলমারি ভেঙে একটি স্বর্ণের চেইন, দুই নম্বর আসামি জুয়েল খন্দকার একটি স্বর্ণের চেইন, তিন নম্বর আসামি শাকিল আহমেদ একটি স্বর্ণের পায়েল, একটি হাতের আংটিসহ মোট দুই ভরি আট আনা স্বর্ণ লুট করেন, যার মূল্য ৩ লাখ টাকা। অন্য আসামিরা আলমারি থেকে জিনিসপত্র ভাঙচুর করে মেঝেতে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় বুধবার গুলশান থানায় মামলা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও