• শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চার দিনে দেশে এলো ৬১৭৩ কোটি টাকার প্রবাসী আয় বিশ্ববাজারে সোনা-রুপা-তেলের দামে ধস দেশে সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি আনসার-ভিডিপি মোতায়েন থাকবে : মহাপরিচালক তিন কমিশনারসহ কাস্টমসের ৩৮ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সোমবার ক্ষমতায় বসে নির্বাচন করছে জামায়াত-এনসিপি: মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ছরওয়ারের জামিন নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না: প্রেস সচিব ভোটের জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটছেন সবার ‘স্যার’ মির্জা ফখরুল জামায়াতের মতো মিথ্যাবাদী শক্তি দুনিয়ায় নেই: চরমোনাই পীর

হারিয়ে যাচ্ছে মৃৎশিল্প

প্রভাত রিপোর্ট / ১৪৯ বার
আপডেট : শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫

খায়রুল বাসার, গোবিন্দগঞ্জ

এক সময় গ্রাম বাংলার প্রতিটি ঘরে রান্ন থেকে শুরু করে খাওয়া কিংবা অতিথি আপ্যায়নে প্রায় সব কাজেই ব্যবহার হতো মাটির তৈরি তৈজসপত্র। দামে সহজ লোভ্য ও স্বাস্থ্যকর হওয়ায় ঐতিজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলো মৃৎশিল্প।সময়ের ব্যবধানে মাটির সেই স্থান দখল করে দিয়েছে অ্যালুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের তৈরি পন্য। তার পরেও নানা প্রতিকুলতার মধ্যে বংশগত পেশার ঐতিহ্য কে টিকিয়ে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছেন গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মৃৎশিল্প শিল্পীরা এখানে এর আগে ৮০ টির ও বেশি পাল পারা থাকলেও এখন আছে মাত্র ৭ টি।
মৃৎশিল্পের শিল্পীরা জানান, হাজার বছরের ওইতিহ্য এবং গ্রাম বাংলার সাংস্কৃতি এখন হাড়িয়ে যাওয়ার পথে। আগের মত এখন আর ব্যবসা নাই। অনেক কুমাররাই এখন অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। আগের থেকে এখন এই শিল্পের চাহিদা অনেক কম। আমরা এই ব্যবসা করে আমাদের পরিবারের খরছ ও চালাইতে পারছি না।
পাল সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা জানান, মৃৎশিল্প কেনার জন্য আগের মত ক্রেতা নেই। দেখা যায় সারা দিনই এই মাটির তৈরি জিনিস গুলো নিয়ে দোকানে বসে থাকতে হয়। আগের তুলনায় এখন কাচা বাজার আর চালের দামও বেশি। তাই আমাদের অনেক শিল্পিরাই এই পেশা থেকে অন্য পেশায় যুক্ত হচ্ছে। প্রতিযোগিতা মুলক বাজারে মৃত শিল্প টিকিয়ে রাখতে হলে এসব পন্যের ডিজাইনে আধুনিকায়ন প্রয়োজন।
গাইবান্ধা জেলার বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পরেসনের সহকারী – মহা ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল ফেরদাউস জানান, পন্যের মান এবং উন্নতমানের পন্য তৈরির জন্য বিসিক কতৃক তাদের বিভিন্ন রকমের প্রশিক্ষন দেওয়া হচ্ছে। আমাদের প্রধান কার্যালয়ে এখনও প্রশিক্ষন চলমান আছে। আমারা উন্নতমানের পন্যের নকশা কারিগরি তথ্য দিয়ে তাদের সহযোগীতা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও