• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজারহাটের বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি এখন মাদক মাদকসেবীদের আড্ডাখানা নাজিরপুরে ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাসভিত্তিক প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকট ও লোডশেডিং, মব কালচার ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে সরকার হজে খরচ কমাতে বিমান ভাড়া হ্রাস : ধর্মমন্ত্রী বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হয়েছে : শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ ২৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন মোবাইল ইউনিটে গ্রামেই হবে হৃদরোগের জটিল চিকিৎসা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ‘গুপ্ত’ ও চট্টগ্রামে সংঘর্ষ ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ
আজও হলো না সেতু নির্মাণ

বেলকা ও হরিপুর ২০ হাজার চরবাসির মুক্তির আশা অধরাই থেকে গেল

প্রভাত রিপোর্ট / ২১৫ বার
আপডেট : সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

নজরুল ইসলাম, গাইবান্ধা : নির্মাণের নয় মাসের মাথায় গত বছরের অক্টোবর মাসে বন্যার স্রোতে ভেসে যায়, গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা বাজার খেয়াঘাটের তিস্তার শাখানদীতে অপরিকল্পিত ভাবে কংক্রিটের খুঁটির ওপর নির্মিত কাঠের সেতুটি। সাত মাস অতিবাহিত হলে আজও সেতুটি মেরামত বা পুনঃনির্মাণ করা হয়নি। ওই সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন চরবাসির কষ্ট দুর করার জন্য ভেসে যাওয়া সেতুটি মেরামত বা পুনঃনির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। সে কারনে উপজেলার বেলকা ও হরিপুর ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার চরবাসির ভোগান্তি থেকে মুক্তির আশা অধরাই থেকে গেল। আগামি বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি হলে যাতায়াতে নৌকাই হবে তাদের একমাত্র ভরসা। সেই সময়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক সেতুটি নির্মাণের জন্য বর্তমান প্রশাসনের নিকট জোর দাবি তুলে ধরা হয়েছে বলেন বেলকা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেতুটি নির্মাণের কোন উদ্যোগ বা প্রতিশ্রুতি প্রদান করেননি প্রশাসন। আগামি দুই মাসের মধ্যে সেতু নির্মাণ করা না হলে ফের দুই ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার বাসিন্দাকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে। চরবাসির দাবির প্রেক্ষিতে গত ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের এডিবির অর্থ হতে কংক্রিটের খুঁটির উপর কাঠের সেতু নির্মাণের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। এ জন্য ব্যয় ২৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ধরা হলে উক্ত টাকা বরাদ্দ দেয় উপজেলা পরিষদ। শুরুতেই সেতুটি নির্মাণের কাজ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠে । গত বছরের ৩০ জুন সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ দেখিয়ে ঠিকাদারের টাকা ছাড় করানো হয়। ঠিকাদার শাহানুর ইসলামের পক্ষে সেতুটি নির্মাণে সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেন বামনডাঙ্গার সাগীর খান। সেতুটির নকশা করেন উপজেলা প্রকৌশলী। মাত্র নয় মাসের মাথায় সরকারের প্রায় ৩০ লাখ টাকা তিস্তার স্রোতে ভেসে গেল-উল্লেখ করে বেলকা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক জানান, বেলকা ও হরিপুুর ইউনিয়নে ২০ হাজার চরবাসির দীর্ঘ দিনের চাওয়া পাওয়ার এখন কি হবে? এ দায় কার? এ বিষয়ে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক সেতুটি নির্মাণের জন্য জোর দাবি জানান, বেলকা চরের শিক্ষার্থী ছানা মিয়া। তিনি বলেন সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় চরের শিক্ষার্থীরা খুশী হয়েছিল। কিন্তু বিধিবাম, উদ্বোধন না হতেই সেই সেতুটি ভেসে গেল তিস্তার স্রোতে। এখন আবারও সেই নৌকায় হবে কি? চরবাসির একমাত্র ভরসা। উপজেলা প্রকৌশলী মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বেলকা খেয়াঘাটে তিস্তার শাখা নদীর ওপর পুনঃরায় কাঠের সেতু নিমার্ণের কোন পরিকল্পনা এলজিইডির নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, তিনি সবে মাত্র এই উপজেলায় যোগদান করেছেন। বিষয়টি তার জানা নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও