• রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করুন: জামায়াত বিজয়ের মাস এক হলেন একাত্তরে ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ গেরিলা বাহিনীর যোদ্ধারা মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগের চেষ্টা ২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে স্বপ্ন ভাঙছে সমর্থকদের ওসমান হাদির ওপর গুলির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ হাদির উপর গুলির প্রতিবাদে বাগেরহাটে বিক্ষোভ মিছিল হাদি’র উপর হামলার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিএনপির বিক্ষোভ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে পীরগঞ্জে সমাবেশ হাদির ওপর হামলাকারীদের ধরিয়ে দিতে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ষড়যন্ত্র ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা

তারেক ও বাবরের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে শুনানি মঙ্গলবার

প্রভাত রিপোর্ট / ১২০ বার
আপডেট : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবর ও তারেক রহমানসহ সব আসামিকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাস রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি জন্য আগামী মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (৪ মে) সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে এদিন শুনানিতে ছিলেন এসএম শাহজাহান। এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান (বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতি) ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত ১ ডিসেম্বর ওই রায় দেন। ১৯ ডিসেম্বর রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। গত ১৩ মার্চ আবেদন দুটি আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠান।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলাটি চালানো হয়। অল্পের জন্য ওই হামলা থেকে বেঁচে যান শেখ হাসিনা। তবে হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক রাষ্ট্রপতি (প্রয়াত) জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী। ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়।
তদন্ত শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ১১ জুন দেওয়া অভিযোগপত্রে বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন ও হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। দুই বছর তদন্তের পর ২০১১ সালের ৩ জুলাই ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে এ মামলায় মোট আসামির সংখ্যা হয় ৫২। মোট ৫২ আসামির মধ্যে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও মুফতি হান্নান এবং তার সহযোগী শাহেদুল ইসলাম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড অন্য মামলায় কার্যকর হয়। তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় এ মামলার আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৯ জনে। গত বছরের ৩১ অক্টোবর আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শুরু হয়। এরপর গত ১ ডিসেম্বর দুটি মামলায় রায় দেন হাইকোর্ট।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও