• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৯৬ ঘণ্টা বিকাশ-নগদ-রকেটে এক হাজারের বেশি লেনদেন করা যাবে না বেইনসাফি ও দুর্নীতিগ্রস্ত কাঠামো ফেরাতে পূর্ণ শক্তিতে মাঠে সুবিধাভোগীরা বিএনপি সবসময় বিশ্বাস করে জনগণই সব ক্ষমতার উৎস : তারেক রহমান ৪৬তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, ১৪৫৭ জনকে নিয়োগের সুপারিশ জাপানের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার দাবি চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট, ১৫ কর্মচারীর বাসা বরাদ্দ বাতিল অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান জানুয়ারিতে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৫৮ শতাংশ অন্তর্বর্তী সরকারের দম ফুরিয়ে গেছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

পটুয়াখালী ও বরগুনা উপকূলে বাড়ছে লবণাক্ততা, কমছে কৃষিজমি

প্রভাত রিপোর্ট / ২৬২ বার
আপডেট : রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫

প্রভাত সংবাদদাতা, পটুয়াখালী: বাংলাদেশ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের তথ্য বলছে, প্রতি বছর পানি ও মাটিতে লবণের মাত্রা বাড়ছে। পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় প্রতি মাসে মাটি ও পানির লবণাক্ততা পরিমাপ করে সংস্থাটি। এ বছর এপ্রিল মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার মধ্যে বরগুনা সদর উপজেলার উত্তর হেউবুনিয়া এলাকায় মাটিতে লবণাক্ততার মাত্রা সব থেকে বেশি। বিষখালী নদী সংলগ্ন এই এলাকার মাটিতে লবণের মাত্রা ১৫.৫৯ ডিএস/মিটার। যা অত্যধিক লবণাক্ত জমি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর পটুয়াখালী জেলার মধ্যে সব থেকে বেশি লবণাক্ত কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের নাচনাপাড়া এলাকা। এই এলাকার মাটির লবণাক্ততার মাত্রা ৮.৭১ ডিএস/মিটার। যা মাঝারি মানের লবণাক্ত জমি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকার মাটি ও পানিতে বাড়ছে লবণাক্ততার মাত্রা। গত এক দশকে লবণাক্ততার প্রভাবে নানামুখী সমস্যায় পড়েছেন এই অঞ্চলের কৃষকরা। বিশেষ করে কৃষি ব্যবস্থাপনায় যেমন পরিবর্তন আনতে হয়েছে তেমনি অনেক জমি হয়েছে অনাবাদি। ফলে আগে যেসব জমিতে দুই কিংবা তিনটি ফসল উৎপাদন করা যেত, তার অনেক জমিতেই এখন আমন ধান ছাড়া অন্য কোনো ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না।
এদিকে জেলার বিভিন্ন নদীর পানি পরীক্ষার যে প্রতিবেদন উঠে এসেছে তা রীতিমতো চমকে ওঠার মতো। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, পটুয়াখালী জেলার তেতুলিয়া নদীর দশমিনা পয়েন্টে পানিতে লবণাক্ততার মাত্রা ছিল ০.৬০ ডিএস/মিটার। যা সেচ কাজের জন্য ছিল নিরাপদ। কিন্তু ২০২৫ সালে একই পয়েন্টের রিপোর্ট বলছে, এপ্রিল মাসে পানিতে লবণের মাত্রা ১.৮৫ ডিএস/মিটার। যা সেচ কাজে ব্যবহারের জন্য ক্ষতিকর।
একইভাবে জেলার গলাচিপা নদীতে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের রিপোর্ট বলছে সেসময় পানিতে লবণের মাত্রা ছিল ০.৬৯ ডিএস/মিটার যা সেচ কাজের জন্য নিরাপদ। কিন্তু ২০২৫ সালে এপ্রিল মাসে সেই একই পয়েন্টে পানিতে লবণের মাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.৫৬ ডিএস মিটার। যা সেচ কাজের জন্য ক্ষতিকর।
এদিকে সাগর থেকে কিছুটা দূরে পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীতে ২০২৩ সালের এপ্রিলে পানিতে লবণের মাত্রা ছিল .৫৫ ডিএস মিটার যা সেচ কাজের জন্য ছিল নিরাপদ। কিন্তু ২০২৫ সালের এপ্রিলের প্রতিবেদন বলছে বর্তমানে এই নদীতে ভাটার সময় লবণের মাত্রা দাঁড়িয়েছে ১.৩৫ ডিএস/মিটার। যা সেচ কাজের জন্য ক্ষতিকর।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও