• মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভোজনরসিকদের আস্থার নতুন ঠিকানা ‘নাটোর স্টার হোটেল’ বাগেরহাটে ওসমান হত্যাকান্ডে জড়িত ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন বাগেরহাটে যুবদল নেতার বাড়ি আগুন দিয়ে পোড়ানোর অভিযোগ পিরোজপুরে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কসহ ২ জনকে কুপিয়ে জখম সৌদি আরবে সড়ক দূর্ঘটনায় দুই শিশুসহ রামগঞ্জের একই পরিবারের ৪জনসহ নিহত ৫ বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিচ্ছেন তারেক রহমান, ইসিতে চিঠি মন্ত্রিসভার আকার হতে পারে ৩৭ জনের ভারত, পাকিস্তান, ভুটানসহ শপথে আসছেন সার্কভুক্ত ৬ দেশের প্রতিনিধি নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন দেশি-বিদেশি ১২০০ অতিথি নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ৪ স্তরের নিরাপত্তা

পাকিস্তানে সেনা অভিযানে ১২ সন্ত্রাসী নিহত

প্রভাত রিপোর্ট / ১৬৪ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

প্রভাত ডেস্ক: পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তানে পৃথক অভিযানের সময় হওয়া সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২ ‘ভারতীয় মদতপুষ্ট সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে। অন্যদিকে সংঘর্ষে দুজন সেনা সদস্যও নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৯ মে) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) এবং বেলুচিস্তানে চালানো পৃথক অভিযানে ‘ভারতীয় মদতপুষ্ট’ সন্ত্রাসী সংগঠনের ১২ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। এসময় দেশটির দুই সেনা সদস্যও প্রাণ হারান।
আইএসপিআর-এর বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার ও রোববার পাকিস্তানের নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট (বিএলএফ)-এর বিরুদ্ধে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়।
দ্য ডন বলছে, প্রথম অভিযানটি চালানো হয় লাক্কি মারওয়াত জেলায়। সেখানে সেনারা পাঁচজন সন্ত্রাসীকে হত্যা করে, যাদের আইএসপিআর “ভারতীয় মদতপুষ্ট” বলে উল্লেখ করেছে। এরপর বান্নু জেলায় আরেকটি অভিযানে আরও দুইজন সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়।
তৃতীয় সংঘর্ষ হয় উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মীর আলী এলাকায়। সেখানে সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি বহরকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। সেনারা পাল্টা জবাব দিয়ে দুই সন্ত্রাসীকে হত্যা করে। তবে এই ঘটনায় শহীদ হন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দুই সদস্য— সিপাহি ফারহাদ আলী তুরি (২৯) তিনি কুররাম জেলার বাসিন্দা। আর ল্যান্স নায়েক সাবির আফ্রিদি (৩২)। তিনি কোহাট জেলার বাসিন্দা। আইএসপিআর জানিয়েছে, এইসব অঞ্চলে আরও সন্ত্রাসী লুকিয়ে থাকতে পারে—এজন্য এলাকায় ‘স্যানিটাইজেশন অপারেশন’ চলছে।
এছাড়া বেলুচিস্তানের আওয়ারান জেলার গিশকুর এলাকায় প্রথম সংঘর্ষে “ভারতীয় মদতপুষ্ট” ইউনুস নামে এক সন্ত্রাসী নিহত হয় এবং আরও দুইজন আহত হয়। পরে কেচ জেলার তুরবাত শহরে দ্বিতীয় অভিযানে দুইজন সন্ত্রাসী—রিং লিডার সাবর উল্লাহ এবং আমজাদ ওরফে বিচ্চু—নিহত হয়।
সন্ত্রাসীদের পরিণতি হবে ভারতের বিমান বাহিনীর মতোই, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের
সেনারা ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করে। নিহতরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা ও সাধারণ নাগরিকদের হত্যায় জড়িত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। আইএসপিআর বলেছে, বেলুচিস্তানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নস্যাৎ করতে ভারতের পক্ষ থেকে যেসব ষড়যন্ত্র চলছে, পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও জনগণ তা ব্যর্থ করে দেবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও