• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৯৬ ঘণ্টা বিকাশ-নগদ-রকেটে এক হাজারের বেশি লেনদেন করা যাবে না বেইনসাফি ও দুর্নীতিগ্রস্ত কাঠামো ফেরাতে পূর্ণ শক্তিতে মাঠে সুবিধাভোগীরা বিএনপি সবসময় বিশ্বাস করে জনগণই সব ক্ষমতার উৎস : তারেক রহমান ৪৬তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, ১৪৫৭ জনকে নিয়োগের সুপারিশ জাপানের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার দাবি চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট, ১৫ কর্মচারীর বাসা বরাদ্দ বাতিল অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান জানুয়ারিতে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৫৮ শতাংশ অন্তর্বর্তী সরকারের দম ফুরিয়ে গেছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধিদের সংগঠন জিএসএ ফোরামের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

প্রভাত রিপোর্ট / ১৫০ বার
আপডেট : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫

প্রভাত অর্থনীতি

বিদেশি এয়ারলাইনস বা বিমান সংস্থাগুলোর স্থানীয় বিক্রয় প্রতিনিধিদের (জিএসএ) নিয়ে গঠিত এয়ারলাইনস জিএসএ ফোরাম অব বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। রবিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে এক হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির লোগো উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবির ভূঁইয়া।
এয়ারলাইনস ব্যবসায় জিএসএ বা বিক্রয় প্রতিনিধি বলতে এমন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যাকে কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলে কোনো বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে বিক্রয় ও বিপণনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই জিএসএরা বিমানের টিকিট বিক্রি, গ্রাহকসেবা, প্রচার, বিপণন ও ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য কাজ করে।
অন্যদিকে বিমান সংস্থাগুলোও কোনো দেশ বা অঞ্চলে সরাসরি নিজস্ব অফিস না খুলে জিএসএ নিয়োগ করে। এতে তাদের খরচ কমে, পূর্ণাঙ্গ কার্যালয় চালানোর প্রয়োজন হয় না।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে ৭০টির বেশি বিদেশি বিমান সংস্থা স্থানীয় জিএসএদের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করছে। প্রাথমিকভাবে ফোরামের সদস্য হয়েছে ২৮টি জিএসএ কোম্পানি, যারা ৫০টির বেশি বিদেশি বিমান সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করছে। এয়ারলাইনস জিএসএ ফোরাম অব বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করছেন, অন্যান্য স্থানীয় জিএসএ কোম্পানিও দ্রুত সংগঠনটির সদস্য হবে।
স্বাগত বক্তব্যে জিএসএ ফোরামের আহ্বায়ক আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ বলেন, বিভিন্ন বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোকে বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎসাহী ও উদ্যোগী করতে স্থানীয় জিএসএ প্রতিষ্ঠানদের অগ্রণী ভূমিকা আছে। বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাত এগিয়ে নিতে ও বাংলাদেশকে বিমান চলাচলের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে এই ফোরাম সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানে বিমান পরিবহন খাত নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিএএস গ্রুপের পরিচালক মুজাক্কের হক। তিনি জানান, বিমান সংস্থাগুলো বাংলাদেশ থেকে ৩০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সরাসরি উড়ান পরিচালনা করছে। এতে কোম্পানিগুলো বছরে কমপক্ষে ১ কোটি ২০ লাখ যাত্রীকে বিমান সেবা দেয় এবং ন্যূনতম আড়াই লাখ টন কার্গো পরিবহন করে। বিমান পরিষেবা ব্যবসার সঙ্গে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার উদ্যোক্তা জড়িত। এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় সোয়া লাখ মানুষের।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে কাজ করা জিএসএ কোম্পানিগুলো বিমান পরিবহন শিল্পের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালার মাধ্যমে জিএসএ ও বিমান পরিবহন খাতের পেশাজীবীদের জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে জিএসএ ফোরামের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খালেদ ইউসুফ ফারাজী, আরিফ রহমান, মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ ডন, সোহাগ হোসেন, এম এ লতিফ শাহরিয়ার জাহেদী, মিজানুর রহমান, মুজাক্কের হক, মাহবুবুল আনাম, রাজীবুল হক চৌধুরী, শাদাত হোসেন, ইয়ামি এম সালেহ, আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ ও তৌফিক উদ্দিন আহমেদ।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও