বিল্লাল মোল্লা, কুমিল্লা উত্তর : কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় গত ২৩ মে বিকেলে নারান্দিয়া ইউনিয়নের খলিলাবাদ গ্রামের রাস্তা থেকে মোহাম্মদ সাজিম হাসান (২২) নামে এক ব্যক্তিকে অপহরন করা হয়। এরপর তার পরিবারের কাছে মুক্তিপন হিসাবে ১,৫০,০০০/-টাকা দাবী করে। পরবর্তীতে ২৬ মে অপহৃত ব্যাক্তিকে নিয়ে আসমানিয়া বাজারে আসলে ভিকটিম চিৎকার দেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন ২ জনকে আটক করে। তারা তিতাস থানায় ফোন করলে থানার টহল টিম ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার এবং অপহরন ঘটনায় জড়িত ২জনকে আটক করেন। আটককৃতরা হলেন, মোঃ আবু মুছা (৩৫) ও আঃ গাফ্ফার । ভিকটিমের পিতার এজাহারের প্রেক্ষিতে তিতাস থানায় মামলা করা হয়। মামলা নং-১৭, তারিখ ২৬/০৫/২০২৫। পরে এ ঘটনা নিয়ে স্থানীয় একটি অনলাইন পেজ থেকে বিভ্রান্তিমূলক, ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অসত্য তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদুজ্জামান কয়েক দফা ফোন করলেও ওই অনলাইন পেজটির সম্পাদক ফোন রিসিভ করেননি।
এ ঘটনায় নিয়ে জানতে চাইলে তিতাসের সাংবাদিকদের ওসি শহীদুজ্জামান বলেন, পুলিশের হাতে আটক হওয়া ব্যক্তি যদি রিপোর্টার হন তাহলে তাকে তার সম্পাদক থানায় এসে নিয়ে যাক,কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি । ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরো বলেন, তার বিরুদ্ধেও আরো অনেক অভিযোগ আছে, সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনের কাছে চাঁদা দাবি করে। যা খুবই দুঃখজনক।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে তিতাসের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ। ভিকটিমের বাবা বলেন, এই ধরনের ফেসবুক পেজ থেকে সংবাদ প্রচার করে মানুষের নামে বিভ্রান্ত ছড়ায় এবং তারা চাঁদাবাজি করে। তাদেরকে এখনই আইনের আওতায় আনা হোক।