• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কমিটি; প্রজ্ঞাপন জারি সারাদেশে জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামছে ভ্রাম্যমাণ আদালত মধ্যপ্রাচ্য সংকট, শ্রমবাজারে নতুন চ্যালেঞ্জ ভর্তুকির চাপে দিশেহারা বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত শিক্ষাকে মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করতে চায় সরকার: শিক্ষামন্ত্রী রমজানের পরই সারাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তামাকের ‘প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ’ করার প্রস্তাব দেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী ভোজ্যতেলের দাম এক ফোঁটাও বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

উত্তরায় অপহরণ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, এক কোটি ৪১ লাখ টাকা উদ্ধার

প্রভাত রিপোর্ট / ২২১ বার
আপডেট : শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে অপহৃত এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। একইসঙ্গে পেশাদার অপহরণকারী চক্রের পাঁচ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন- মো.মাসুম পারভেজ (৩৮), মো. সোলাইমান হোসেন (৩৮), শফিকুল ইসলাম সৌরভ (২৭), মোছা. মায়া (২৫) ও মোছা. রুলি খানম (১৯)। শুক্রবার (৩০ মে) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য জানান। এর আগে গত বুধবার বিকেলে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১১ নম্বর সেক্টরের ১০/বি রোডের বাসা নম্বর ৩৭-এর দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন সময় মুক্তিপণ আদায় করা এক কোটি ৪১ লাখ টাকা, ৬০ পিস ইয়াবা, দুটি সিসি ক্যামেরা এবং তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
উত্তরা পশ্চিম থানার বরাদ দিয়ে মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, গত ২৬ মে বিকেল আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী রূপনগর আবাসিক এলাকার বাসা থেকে বাইরে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে ২৮ মে রাত ২টা ৩৬ মিনিটে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ভিকটিমের মায়ের মোবাইল ফোনে কল করে মেয়েকে উদ্ধারের জন্য ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে থানায় জানানো হলে পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিমকে উদ্ধার এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের আরও কয়েকজন সহযোগী দৌড়ে পালিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তাররা একটি পেশাদার অপহরণকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীদের অপহরণ করে একটি নির্দিষ্ট স্থানে আটকে রাখতেন। এরপর ভিকটিমদের নগ্ন ভিডিও ও ছবি ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করতেন অপহরণকারীরা। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও