আজ
|| ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস গাইবান্ধার জনজীবন
প্রকাশের তারিখঃ ৯ জুন, ২০২৫
মো.নজরুল ইসলাম,গাইবান্ধা : আজ (৯ জনু)সোমবার দিন টি যেনো হাস-ফাস অন্যরকম গরম মনে হচ্ছে,কথা টি বলছিলেন, আর যোহহের নামাজ শেষে পৌর কোমরনই জামে মজিদ থেকে বের হওয়া ওই মজিদের মোজ্জিন মোঃ আবু জাফর (২৬) হচ্ছেন। ঈদের একদিন যেতে -না যেতেই গাইবান্ধায় সূর্যের তাপ যেন জেলাবাসির ঘাড়ে চেপে বসেছে। শুধু খাঁ-খাঁ আর খাঁ খাঁ করছে পরিবেশ ।গাইবান্ধার আকাশে তাকানো কঠিন। এখন আষাঢ় চলছে। আর এতে অসহনীয় গরম। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এবারে এই গরম যেন আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। চলতি বছরের তাপমাত্রা একাধিকবার ৪০-৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে, কোথাও কোথাও তা ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে রাজশাহী, রংপুরও চুয়াডাঙ্গায় এক প্রকার ‘তাপপ্রবাহে জনজীবনে কঠ্ষেশেষ নেই। ফলে তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, কৃষক ও হকারদের দিন কাটছে চরম দুর্ভোগে। গাইবান্ধায় সূর্যের তাপ যেন তাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে। এর ফলে স্বাস্থ্যখাতেও চাপ বাড়ছে। হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা, ডায়রিয়া, জ্বর ও চর্মরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এই সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা খাবার খাওয়া এবং সরাসরি রোদে বের না হওয়াই শ্রেয়। উত্তরের গ্রামীণ এলাকাগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। তীব্র গরমের এই বাস্তবতা চলতি বছরের তাপমাত্রা একাধিকবার ৪০-৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে, কোথাও কোথাও তা ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে রাজশাহী, ও রংপুর বিভাগের সবচেয়েবেশী খারাপঅবস্থা।ফলে গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলায় তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন।এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। নির্মাণ শ্রমিক, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, কৃষক ও হকারদের দিন কাটছে চরম দুর্ভোগে। সূর্যের তাপ যেন তাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে। এর ফলে স্বাস্থ্য ঝুকিও চাপ বাড়ছে। হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা, ডায়রিয়া, জ্বর ও চর্মরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এই সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা খাবার খাওয়া ছাতা ব্যবহার করা এবং সরাসরি রোদে বের না হওয়াই ভাল। গ্রামীণ এলাকাগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। তীব্র গরমের এই বাস্তবতা আমাদের শুধু কষ্টই দিচ্ছে না, ভবিষ্যতের জন্য সতর্কবার্তাও দিচ্ছে। এখনই প্রয়োজন ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিম ভাবে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহনকরা। পরিবেশ রক্ষা না করলে আগামীতে আমাদের জনজীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে বলে, মনে করেন গাইবান্ধার পরিবেশ আন্দালনের আহবায়ক ওয়াজিউর রহমান র্যাফেল।
Copyright © 2026 প্রভাত. All rights reserved.