• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
‘এই সংসদের সৌন্দর্য হলো, স্বৈরাচারের পক্ষের কোনো মানুষ এখানে নেই’ বন্দর পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করা যাবে : আপিল বিভাগ মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান বৈষম্যহীন-গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই জুলাই শহীদদের রক্তের ঋণ শোধের উপায়: জোনায়েদ সাকি কিডনি প্রতিস্থাপনের নামে তুরস্কে নিয়ে জিম্মি-গ্রেফতার ৫ আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় জ্বালানি তেলের এমন সংকট হচ্ছে: পাম্প মালিক সমিতি সংসদ যেন চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয়: বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে আরও ৬ জাহাজে হামলা

আহমদিয়া সমবায়ের ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক

প্রভাত রিপোর্ট / ১৩৬ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: গ্রাহকের আমানত আত্মসাতের অভিযোগে আহমেদিয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান। সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির আহমেদের মালিকানাধীন কাফরুল থানা এলাকার ‘ইউরো স্টার টাওয়ার’ নামে ১০ তলা বাণিজ্যিক ভবন ক্রোক করা হয়েছে। ভবনটির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা। মনির আহমেদ (৫৩) ২০০৫ সালে ‘আহমেদিয়া বহুমুখী সমবায় সমিতি’ নামে ঢাকা জেলা সমবায় সমিতি থেকে নিবন্ধন নেন (নিবন্ধন নম্বর ৬৪৮, তারিখ- ১৭/০৮/২০০৫)। পরে ২০০৬ সালে নাম পরিবর্তন করে ‘আহমেদিয়া ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড’ নামে পুনরায় নিবন্ধন নেন (নিবন্ধন নম্বর ৫৮, তারিখ: ২০/০৭/২০০৬)।
প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিলÍ সদস্যদের কাছ থেকে সঞ্চয় ও শেয়ার আমানত সংগ্রহ করে সদস্যদের ঋণ প্রদান এবং তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন করা। প্রতিষ্ঠার সময় সদস্য সংখ্যা ছিল ২০ জন, যা ২০১৮ সালের অডিট রিপোর্টে বেড়ে দাঁড়ায় ২১ জনে।
সদস্যদের মাসিক চাঁদা ছিল ২০০০ টাকা করে। আইন অনুযায়ী সমিতির কার্যক্রম শুধু সদস্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা থাকলেও, অভিযুক্ত মনির আহমেদ বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও বিভিন্ন মেয়াদে আমানত সংগ্রহ শুরু করেন। মিরপুর, ক্যান্টনমেন্ট, বনানী, মহাখালী, কাফরুলসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ১১শ জনের কাছ থেকে তিনি ৫৮ কোটি ৩৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে মনির আহমেদ নিজের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ডিএমপির কাফরুল থানায় মামলা দায়ের হয়। তদন্ত চলাকালে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট ইব্রাহিমপুর মৌজায় ৮.৪৭ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ‘ইউরো স্টার টাওয়ার’-এর সন্ধান পায়। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে গত ১৬ জুলাই মহানগর দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র স্পেশাল জজ ভবনটি ক্রোকের আদেশ দেন।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও