• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৩০০ আসনেই একটি দল প্রচারণা চালাচ্ছে এমন হলে একসঙ্গে পথচলা কষ্টকর বিদেশে পালিয়ে থাকাদের হুমকির কোনো ভ্যালু নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস বিশ্ববাজারে সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে সোনা-রুপা দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে ত্রুটিবিহীন নির্বাচন উপহার দিতে হবে: ডিএমপি কমিশনার লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আগমনী ভিসা ফি মওকুফ হবে চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশ, পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের ইরানে বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২৫৭১ জন: মানবাধিকার সংস্থা

ফর্মুলা দুধের পরামর্শ না দিতে ডাক্তারদের অনুরোধ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার

প্রভাত রিপোর্ট / ৫৮ বার
আপডেট : সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: শিশুর জন্মের পর মায়ের বুকের দুধ কম এলে তড়িঘড়ি করে ফর্মুলা দুধ খাওয়ানোর পরামর্শ না দিতে চিকিৎসকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। তিনি বলেছেন, আপনারা যেমন মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়েছেন, আমিও মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়েছি। এটা আমাদের প্রাপ্য অধিকার ছিল। তাই এখন যে শিশুরা জন্মাচ্ছে, আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের ফর্মুলা দুধের দিকে ঠেলে দেবেন না। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৫’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অনুরোধ জানান।
উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, মায়ের দুধ কোথা থেকে আসবে, সেই প্রস্তুতি আগে থেকে নিতে হয়। গর্ভাবস্থার ছয় মাস পর থেকেই মা কীভাবে বেশি খাবেন এবং শরীরে দুধ উৎপাদন বাড়াবেন, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি জানান, আগে শালদুধ খাওয়ানো নিয়ে নানা ধরনের কুসংস্কার ছিল, এখন তা দূর হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে মায়েদের দুধ খাওয়ানোর হার কমছে। সরকারি হিসাবে এখন ৫৫ শতাংশ শিশু মায়ের দুধ পাচ্ছে, অথচ একসময় এ হার আরও বেশি ছিল।
কর্মজীবী মায়েদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাদের দেশের অনেক মা মাঠে-ঘাটে, অফিসে বা বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে কাজ করেন। তাদের সচেতন করতে হবে এবং একইসঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে মা যেন পর্যাপ্ত খাবার খেতে পারেন। সরকারি হিসাবে দেশে দারিদ্র্যের হার ২০ শতাংশ। এই ২০ শতাংশ যদি পর্যাপ্ত খাবার না পায়, তাহলে তাদের সন্তানকেও পর্যাপ্ত দুধ খাওয়াতে পারবেন না। এজন্য দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমাদের বাড়িতে কাজের বুয়া কাজ করেন। কিন্তু তাদের অনেক সময় বাচ্চা আনতে দেয়া হয় না। বিষয়টি নিয়েও নতুন করে ভাবতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সায়েদুর রহমান, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব ডা. সারোয়ার বারী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও