• রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আমরা কোনো দলের না, আমরা শুধু মানুষকে সচেতন করবো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জুলাই শহীদ-আহতরা একাত্তরের মতোই মুক্তিযোদ্ধা: নজরুল ইসলাম প্রকৃত পরিবর্তনে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য: ফরিদা আখতার চীনা বিশেষজ্ঞদের অনুমোদন পেলেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন: রিজওয়ানা ‘মব’ শব্দটি বলার পেছনে বিপ্লবকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটা মানসিকতা কাজ করে : তাজুল ইসলাম পুলিশ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিলে এটি হবে সবচেয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এর চেয়ে বেশি সংস্কার আর হয়নি: আসিফ নজরুল আমরা সবাই দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কথা বলছি, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : জাইমা রহমান ডাকসুর কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট নিয়ে সমালোচনা, আলোচনা স্লোগান নিয়েও ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত

মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় সম্রাটকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

প্রভাত রিপোর্ট / ৬২ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট : ১৯৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানার মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় জামিনে থাকা আসামি ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান। এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ও আসামিদের হাজিরার জন্য দিন ধার্য ছিল। আসামি সম্রাটের পক্ষে তার আইনজীবী আফরোজা শাহনাজ পারভীন ২০৫ ধারায় হাজিরা দেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন তার এই হাজিরা বাতিল চেয়ে আবেদন করেন।
এ বিষয়ে শুনানি চলাকালে বিচারক আসামিপক্ষের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, সম্রাট কোথায় আছে? জবাবে আইনজীবী জানান, তিনি কোথায় আছেন জানা নেই। এরপর বিচারক বলেন, আগামী রবিবার আসামি সম্রাটের উপস্থিতিতে এ বিষয়ে শুনানি হবে।
২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সিআইডির উপ-পরিদর্শক রাশেদুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কাকরাইলের ‘মেসার্স হিস মুভিজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে বসে মতিঝিল, ফকিরাপুল, পল্টন, কাকরাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় ‘অবৈধ কর্মকাণ্ড’ চালাতেন সম্রাট। এভাবে তিনি ২০১৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৯ অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে ‘বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ’ উপার্জন করেন। এসব অর্থের উৎস গোপন করার জন্য সহযোগী এনামুল হক আরমানের মাধ্যমে তিনি সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ায় অর্থ পাচার করেন। পাচার করা টাকার পরিমাণ আনুমানিক ১৯৫ কোটি টাকা। সম্রাট ২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে ৩৫ বার সিঙ্গাপুরে, তিনবার মালয়েশিয়ায়, দুবার দুবাইয়ে, একবার হংকংয়ে গেছেন। আর এনামুল হক আরমান ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৮ মে পর্যন্ত সময়ে ২৩ বার সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেছেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও