• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কমিটি; প্রজ্ঞাপন জারি সারাদেশে জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামছে ভ্রাম্যমাণ আদালত মধ্যপ্রাচ্য সংকট, শ্রমবাজারে নতুন চ্যালেঞ্জ ভর্তুকির চাপে দিশেহারা বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত শিক্ষাকে মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করতে চায় সরকার: শিক্ষামন্ত্রী রমজানের পরই সারাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তামাকের ‘প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ’ করার প্রস্তাব দেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী ভোজ্যতেলের দাম এক ফোঁটাও বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নাজিরপুরে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াল উপজেলা প্রশাসন

প্রভাত রিপোর্ট / ১৪০ বার
আপডেট : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

মো. বাবুল শেখ,পিরোজপুর : পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার সেখমাঠিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে সোমবার (১ ডিসেম্বর)রাত ৮ টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে জাকির হোসেন, মোশারেফ শেখ ও সারোয়ার শেখ—এই তিন পরিবারের বহু বছরের সঞ্চয়, আসবাব, কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্র সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
এ ঘটনায় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নাজিরপুর উপজেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজিয়া শাহনাজ তমা মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে তিন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা এবং জরুরি খাদ্যসহায়তা প্রদান করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুনের তীব্রতায় কেউ ঘর থেকে কোনো কিছু বের করে আনতে পারেনি। জাকির হোসেনের পুরো ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং তাঁর দুই চাচা মোশারেফ শেখ ও সারোয়ার শেখের ঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গ্রামবাসীর হিসেবে তিন পরিবারে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া শাহনাজ তমা জানান, তিন পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে ঢেউটিনসহ ঘর পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আবেদন করলে পুনর্বাসন সহায়তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তিন পরিবার খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। নেই ঘর, নেই শোবার জায়গা, নেই পোশাক বা ব্যবহারযোগ্য কোনো জিনিসপত্র। শীতের এ সময় নারী, শিশু ও প্রবীণ সদস্যরা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, তিন পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আরও সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও