• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জ্বালানি সংকট ও লোডশেডিং, মব কালচার ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে সরকার হজে খরচ কমাতে বিমান ভাড়া হ্রাস : ধর্মমন্ত্রী বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হয়েছে : শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ ২৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন মোবাইল ইউনিটে গ্রামেই হবে হৃদরোগের জটিল চিকিৎসা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ‘গুপ্ত’ ও চট্টগ্রামে সংঘর্ষ ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ জনগণের কাছে যান, শহর ঘুরে দেখুন: সিটি প্রশাসকদের প্রতি প্রতিমন্ত্রী চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু: স্পিকার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে হাসপাতালসহ পুড়লো বসতঘরও

প্রভাত রিপোর্ট / ১০৪ বার
আপডেট : শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রভাত সংবাদদাতা, টেকনাফ : কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে এক রাতের ব্যবধানে দুটি স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং কয়েকটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোরের দিকে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের মধুরছড়া এলাকার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-ব্লকে অবস্থিত একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আগুনের সূত্রপাত হয়। আনুমানিক ভোর ৫টার দিকে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। আগুনে চিকিৎসা সরঞ্জামসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুড়ে যায়। ২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের চিকিৎসাসেবার জন্য দাতব্য সংস্থা ‘ওবাট হেলপারস ইউএসএ’ এই কেন্দ্রটি ‘ওবাট হেলথ পোস্ট’ নামে চালু করে। বর্তমানে ক্যাম্প প্রশাসনের সহযোগিতায় ও হিউম্যান ইন্টারন্যাশনাল ইউএসএ–এর অর্থায়নে এটি পরিচালিত হচ্ছিল।
ওবাট হেলপারস বাংলাদেশের হেলথ কো-অর্ডিনেটর চিকিৎসক মাহামুদুল হাসান সিদ্দিকী রাশেদ জানান, আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে পুরো স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পুড়ে গেছে। আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। এখান থেকে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেতেন।
স্থানীয়দের কাছে ‘মালয়েশিয়া হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পুড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আশ্রিত রোহিঙ্গারা। ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ রফিক বলেন, এটি ছিল তাদের জন্য চিকিৎসার অন্যতম ভরসা।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার বেশি হতে পারে। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা জানান, একটি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করেছে এবং তদন্ত শেষে আগুনের কারণ জানা যাবে।
এদিকে এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-ব্লকে আরেকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত পাঁচটি বসতঘর পুড়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও