• শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চার দিনে দেশে এলো ৬১৭৩ কোটি টাকার প্রবাসী আয় বিশ্ববাজারে সোনা-রুপা-তেলের দামে ধস দেশে সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি আনসার-ভিডিপি মোতায়েন থাকবে : মহাপরিচালক তিন কমিশনারসহ কাস্টমসের ৩৮ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সোমবার ক্ষমতায় বসে নির্বাচন করছে জামায়াত-এনসিপি: মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ছরওয়ারের জামিন নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না: প্রেস সচিব ভোটের জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটছেন সবার ‘স্যার’ মির্জা ফখরুল জামায়াতের মতো মিথ্যাবাদী শক্তি দুনিয়ায় নেই: চরমোনাই পীর

লালমনিরহাটে জেঁকে বসেছে শীত, জনজীবন বিপর্যস্ত

প্রভাত রিপোর্ট / ১০৯ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

নুরুল ফেরদৌস, লালমনিরহাট : উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে ঘন কুয়াশা ও তীব্র ঠান্ডায় শীত জেঁকে বসেছে। গত ৭দিন ধরে সূর্যের কোনো দেখা মিলছে না। এতে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের জনজীবন চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। শীতবস্ত্রের অভাবে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছে তিস্তা পাড়ের হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও দৈনন্দিন স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। শীতের দাপটে প্রত্যন্ত গ্রাম ও চরাঞ্চলের মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১,৩ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুর ১১টা পেরিয়ে গেলেও সূর্যের দেখা মেলেনি। রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, সামনে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। ফলে ঠান্ডা ও কুয়াশার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা শহরের রিকশাচালক হাদিকুল ইসলাম বলেন, এই ঠান্ডায় লোকজন খুব কম বের হয়। তাই ভ্যান নিয়ে বসে থাকতে হচ্ছে। পরিবার চালানো অনেক কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এত ঠান্ডায় কাজ করা যায় না, হাত-পা গুটিয়ে আসে। খুব কষ্টের মধ্যে আছি আমরা।
রশিদ মিয়া বলেন, কষ্ট হলেও জীবিকার তাগিদে ভোরেই রিকশা নিয়ে বের হতে হয়েছে। আজ অনেক বেশি ঠান্ডা পড়েছে। এত ঠান্ডায় অনেকেই রিকশায় উঠতে চায় না, তবুও পরিবার বাঁচাতে রিকশা চালাতেই হয়।
লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন আবদুল হাকিম জানান, গত ৭দিন ধরে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমাজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি বলেন, শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে, যেন কোনোভাবেই ঠান্ডা না লাগে।
রাজারহাট আবহাওয়া অফিস জানায়, এ অঞ্চলের ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গত ৭ দিন ধরে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সামনে তাপমাত্রা আরও কমে ভারী শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার জানান, ইতিমধ্যে ১০ হাজার শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৫০ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও