• বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শুধুমাত্র মিছিল মিটিং করার জন্য জাতীয়তাবাদীর নাম ব্যবহার নয় : রিজভী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নৈরাজ্য বন্ধে সরকারের উদ্যোগ নেই: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আ.লীগ ভারতের সেবাদাস সরকার ছিল : সালাহউদ্দিন আহমেদ পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে, রুখে দেয়া হবে: আসিফ মাহমুদ এনইআইআরের মাধ্যমে অবৈধ ও নকল মুঠোফোন নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে ‘সিন্ডিকেটের কারসাজিতে এলপিজির দাম বৃদ্ধি’ পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলায় ক্রেতাদের আগ্রহে মাটির তৈরি তৈজসপত্র নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না জাতিসংঘ: স্টিফেন দুজারিক মোবাইল ব্যবহারকারীদের যে বার্তা দিলো বিটিআরসি ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতায় নিহত বেড়ে ৩৫

দশমিনায় মালচিং পদ্ধতিতে ফসলি জমিতে শসা চাষ

প্রভাত রিপোর্ট / ২১ বার
আপডেট : রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬

নাসির আহমেদ,দশমিনা: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় কৃষকরা শীতের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে ফসলি জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে আগাম শসার চাষ শুরু করেছে। উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী গ্রামে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। কৃষকরা আর্থিক স্বনির্ভরতার জন্য শীতকালীন সময়ে মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষ করছে। উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা মাঁচায় শসার চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের আবাদি-অনাবাদি ও চরাঞ্চল এবং বসতঘরের আশেপাশে মাঁচা পদ্ধতিতে শসার আবাদ করে কৃষকরা সফলতা অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করছে। এই পদ্ধতিতে শসা চাষ করে কৃষকরা নতুন ভাবে স্বপ্ন দেখছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় মালচিং পদ্ধতিতে শসার চাষ শুরু করা হয়। মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হলে আগাছা কম হয় এবং ফলন ভাল হয়। উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী গ্রামের কৃষকরা এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় প্রনোদনা সহায়তা পেয়ে শসার চাষ শুরু করেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আবাদি-অনাবাদি জমিতে কৃষি প্রদর্শনীর মাধ্যমে শসার আবাদ করছে। মহা সমারোহ বিরাজ করছে। বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা নিজেরাই সবজি চাষে ঝুঁকে পড়েছে। কৃষকরা স্থানীয় চাহিদা মেটাতে আগাম শসার চাষ করছে। উপজেলায় অতি বর্ষন ও দূর্যোগের কারনে কৃষকরা বার বার লোকসানে পড়লেও এবার শসা চাষ করে সফলতা পাবে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় কৃষি প্রদর্শনীর মাধ্যমে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধকরন করা হয়। কৃষকরা সারা দিয়ে আবাদি ও অনাবাদি জমিতে শসার প্রদর্শনী খামার করেছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদেরকে চাষাবাদে উৎসাহিত করা হয়। এর ফলে শসার চাষ বেড়েই চলছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রদর্শনী ও উদ্বুদ্বকরনের মাধ্যমে নানা কৃষি উপকরন পেয়ে ফসলি জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে শসার চাষ করছে। কৃষকরা ফসলি বা পতিত জমি ও বসতবাড়ীর আঙ্গিনায় মাঁচায় শসার চাষ করে নতুন স্বপ্ন বুনছে। অত্র উপজেলা একটি কৃষি বান্ধব জনপদ। এই উপজেলার ৮০ ভাগ মানুষ কৃষি নির্ভর। উপজেলার যে কোন স্থানেই ভাল ফসল উৎপাদন হয়। এই উপজেলায় কৃষকদের সহযোগিতায় কৃষি বিপ্লব ঘটানো সময়ের ব্যাপার মাত্র। খাদ্যের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন প্রদর্শনী মাধ্যমে কৃষকরা ফসল উৎপাদন করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানান,কৃষকদেরকে চাষাবাদে উৎসাহিত করা,জমিতে জৈব সার ব্যবহার এবং বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের আধুনিক উপায়ে ফসল উৎপাদন ও স্বনির্ভরতা বাড়াতে উপজেলা কৃষি বিভাগ সর্বদা তদারকি করছে। উপজেলায় মালচিং বা মাঁচা পদ্ধতিতে শসাসহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের চাষাবাদ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও