আজ
|| ২৮শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৪ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
‘নির্বাচনি মাঠে কেউ বাড়াবাড়ি করছে কিনা তা জানতে চেয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত’
প্রকাশের তারিখঃ ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
প্রভাত রিপোর্ট: রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। বুধবারের (২৮ জানুয়ারি) এই বৈঠকে তিনি নির্বাচনি মাঠে কেউ বাড়াবাড়ি করছে কি না তা জানতে চেয়েছেন। এই তথ্য দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, “আজকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমাদের কাছে নির্বাচনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন। জানতে চাচ্ছিলেন, কোনও জায়গায় কোনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা কারো কাছ থেকে কোনও ওভারডুয়িংয়ের (বাড়াবাড়ি) খবর আছে কি না। আমি বললাম, স্থানীয়ভাবে আমাদের এখানে খবর আসে। এমন কোনও কিছু আমাদের নলেজে নাই। যদি এটা হয়ে থেকে থাকে তাহলে স্থানীয়ভাবে এটাকে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আর যদি স্পেসিফিক কোনও কিছু বলেন, তাহলে আমরা এটার উত্তরটা দিতে পারবো।”
আখতার আহমেদ বলেন, “ভোটে আমরা কি করছি, কিভাবে ভোট কাউন্ট করা হবে, কোথায় আসবে, রেফারেন্ডমের ব্যালটের সঙ্গে গণনার সময়সীমা কত ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয়গুলো জানতে চেয়েছে তিনি। আমি ওনাকে আমাদের ব্যালট পেপারের আকার, আকৃতি সম্পর্কে বলেছি, সেটার একটা নমুনাও দেখালাম।”
ইসি সচিব বলেন, “আমাদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কোড অফ কন্ডাক্টের কথা, যে সমস্ত বিষয়গুলো আসছে এগুলো সম্পর্কে। আমরা বলেছি, আমাদের এখানে কমপ্লেন ম্যানেজমেন্ট সেল আছে। আর আমাদের আসনগুলোর লেভেলে যে ইনকয়ারি কমিটি, ম্যাজিস্ট্রেট যারা আছেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জিনিসগুলো সমন্বয় করা হচ্ছে।”
ভোট কেন্দ্রের ব্যবস্থা ও যাতায়াতের ব্যবস্থার কথাও মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানতে চেয়েছেন বলে জানান আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, “ওখান (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে কোনও পর্যবেক্ষক দল আসবে না। তবে, ইন্ডিপেন্ডেন্ট একটা দল আসবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। উনারা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম এবং খুলনায় পর্যবেক্ষণে যাবেন। বাট নট ফরমাল অবজারভারস। উনারা এমনি দেখতে যাবেন ভোটের অবস্থাটা কি। ওনারা এটাকে কংগ্রেস সিনেটে রিপোর্ট করবে।” তিনি আরও বলেন, “উনারা বলেছেন যে এরকম চারটা জায়গায় ওনাদের দূতাবাস থেকে প্রতিনিধি দল যাবেন দেখার জন্যে। উনারা ইন্ডিপেন্ডেন্টলি যাবেন, অবজার্ভার হিসেবে না।”
আচরণবিধির বিষয়গুলো যে লঙ্ঘিত হচ্ছে আমরা কিভাবে এটাকে ম্যানেজ করছি তা জানতে চেয়েছেন জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, “আমরা বলেছি, ইলেক্টোরাল ইনকয়ারি অ্যান্ড আইডেন্টিফিকেশন কমিটির রেসপেক্টিভ, রিটার্নিং অফিসার উনাদের কাছে এবং এর পাশাপাশি আমরাও এখান থেকে আমাদের কাছে যেগুলো নলেজ আসছে আমরা...যেমন আজকে সকালে একটা কমপ্লেইন আসছে একটা পার্টিকুলার জেলার সম্পর্কে। তা আমরা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠাবো। কারণ আমাদের তো সেকেন্ডারি ইনফরমেশনের ওপরে কাজ করতে হবে। আমি ওখানে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত নাই, কাজেই আমাদেরকে রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তারপরে যেটা প্রয়োজন সেটা করবো। এগুলো আমরা দ্রুততার সাথে নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করছি।”
Copyright © 2026 প্রভাত. All rights reserved.