প্রভাত বিনোদন : রুইতন ও জাপান ডাক্তারকে মনে আছে? প্রায় দেড় যুগ আগে ‘সাকিন সারিসুরি’ ধারাবাহিকে আলোচিত এই দুই চরিত্রকে প্রাণ দেন মোশাররফ করিম ও চঞ্চল চৌধুরী। ২০০৮ সালের শেষভাগে গাজীপুরের পুবাইলের ভাদুনের চটের আগা গ্রামে নাটকটির শুটিং হয়েছিল। স্মৃতিবিজড়িত সেই গ্রামেই গত সোমবার সকাল আহমেদের পরিচালনায় ‘বিশ্বাস বনাম সরদার’ নাটকের শুটিং করছিলেন চঞ্চল চৌধুরী।
শুটিংয়ের ফাঁকে জাপান ডাক্তার (চঞ্চল চৌধুরী) হঠাৎ দেখেন, মেঠো পথে হাঁটছে রুইতন (মোশাররফ করিম)। ‘মামা’ বলে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন দুজন। তারপর দুই বন্ধুর আড্ডা।
সে আড্ডারই একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে চঞ্চল চৌধুরী লিখেছেন, ‘এই সেই সাকিন সারিসুরি গ্রাম। কত বছরের স্মৃতিবিজড়িত, কত কত মুহূর্তের সাক্ষী এই গ্রাম।…কত স্মৃতি এখানে। সাক্ষী ছিলেন কত মানুষ। লাভলু ভাই, বৃন্দাবনদা, শাহনাজ খুশি, আ খ ম হাসান, রওনক, সাজু, আরও কতজন। আবার কতজনকে তো হারিয়ে ফেলেছি চিরতরে। আহারে জীবন। আহারে সাকিন সারিসুরি।’
ধারাবাহিকটি প্রচারের পর চটের আগা গ্রামটি এলাকার মানুষের কাছে ‘সাকিন সারিসুরি’ হিসেবে পরিচিতি পায়। কয়েক বছর আগে সে গ্রামেই জমি কিনে বাড়ি করেছেন মোশাররফ করিম। তিনি ঢাকায় থাকলেও ছুটিছাটায় সেই বাড়িতে গিয়ে থাকেন।
সকাল আহমেদ জানান, মোশাররফ করিমের বাড়ির পাশেই তাঁরা শুটিং করছিলেন। শুটিংয়ের ফাঁকে মোশাররফ করিমের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়েছে।
বৃন্দাবন দাসের লেখা সাকিন সারিসুরি পরিচালনা করেন সালাহউদ্দিন লাভলু। নাটকটি ২০০৯-১০ সালে চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হয়েছিল। নাটকটি ইউটিউবেও দেখা যায়। মোশাররফ করিম ও চঞ্চল চৌধুরী ছাড়াও সাকিন সারিসুরিতে নাজমুল হুদা বাচ্চু, মাসুম আজিজ, মামুনুর রশিদ, আজিজুল হাকিম, শাহনাজ খুশি, রওনক হাসানসহ অনেকে অভিনয় করেন।
তানিম নূরের ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন মোশাররফ করিম ও চঞ্চল। গত বছর মুক্তি পেয়েছে মোশাররফ করিমের ‘চক্কর ৩০২’ ও ‘ডিমলাইট’। ‘কুরকাব’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমার কাজ শেষ করেছেন।
চঞ্চল চৌধুরীকে গত বছর মুক্তি পাওয়া ‘উৎসব’ সিনেমায় দেখা গেছে। ‘দম’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। ‘শাস্তি’ নামে নতুন একটি সিনেমায় নাম লিখিয়েছিলেন তিনি।