• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লিবিয়ায় বাড়ির ভেতরে কীভাবে খুন হলেন গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল–ইসলাম শবে বরাতের রাতে ইসরায়েলি হামলায় ১০ ফিলিস্তিনি নিহত আরব সাগরে ইরানি ড্রোন ধ্বংস করল যুক্তরাষ্ট্র ৪৫০ ড্রোন, ৭০ ক্ষেপণাস্ত্র : ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ব্যাপক হামলা ইউক্রেনের ‘হত্যা তালিকায়’ ফিফার প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট, বিরোধ ভুলে ট্রাম্পের সঙ্গে ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ’ বৈঠক ২০২৬ সালের বিশ্বসেরা মন্ত্রীর পুরস্কার পেলেন গাম্বিয়ার আবদোলি জোবে গাজায় গণহত্যায় সহায়তা: দুই ইসরায়েলি নারীর বিরুদ্ধে ফ্রান্সের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাত্র তিন বছর বয়সে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ – জানালেন টাবু অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসির হার, ফাইনালে আর্সেনাল

মাত্র তিন বছর বয়সে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ – জানালেন টাবু

প্রভাত রিপোর্ট / ৫ বার
আপডেট : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত বিনোদন : বলিউড অভিনেত্রী টাবু জানালেন, তিনি কখনোই তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করেননি। বাবার পদবি ব্যবহারও করেননি। এটি ছিল তাঁর সচেতন সিদ্ধান্ত। শৈশবেই বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর বাবার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে এসব বিষয় খোলামেলাভাবে তুলে ধরেন অভিনেত্রী। টাবু বলেন, তাঁর বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয় যখন তাঁর বয়স মাত্র তিন বছর। এর পর থেকে বাবার সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ ছিল না। তাই তিনি বাবার পদবি ‘হাশমি’ কখনো ব্যবহার করেননি। অভিনেত্রীর ভাষায়, বাবাকে জানার বা তাঁর সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে তাঁর কখনোই বিশেষ আগ্রহ বা কৌতূহল তৈরি হয়নি।
সিমি গারেওয়ালের জনপ্রিয় টক শো ‘রদেভু উইথ সিমি গাড়োয়াল’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের শৈশবের কথা বলেন টাবু। তিনি জানান, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর তিনি হায়দরাবাদেই বড় হয়েছেন এবং থাকতেন নানা-নানির সঙ্গে। তাঁর মা ছিলেন একজন শিক্ষিকা।
টাবু বলেন, ‘আমার শৈশব খুব ভালো কেটেছে। আমরা সারা জীবন হায়দরাবাদেই থেকেছি। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর আমি আমার নানা-নানির সঙ্গে থাকতাম। আমার মা ছিলেন একজন শিক্ষিকা, তাই আমি বেশি সময় কাটিয়েছি আমার নানির সঙ্গে। নানি নিয়মিত প্রার্থনা করতেন ও বই পড়তেন, সেই পরিবেশেই আমি বড় হয়েছি। আমি খুব লাজুক ছিলাম, নিজের কথা বলার মতো আত্মবিশ্বাস ছিল না। এমনকি নায়িকা হওয়ার পরও অনেক দিন আমার নিজের কণ্ঠ খুঁজে পাইনি।’
টাবুর বড় বোন ফারাহ আশির দশকে একজন অভিনেত্রী ছিলেন। এ ছাড়া প্রখ্যাত অভিনেত্রী শাবানা আজমির আত্মীয়ও তিনি।
একই সাক্ষাৎকারে টাবু বলেন, তিনি বাবার সঙ্গে দেখা করার প্রয়োজন কখনো অনুভব করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি কখনোই বাবার পদবি ব্যবহার করিনি। আমার কাছে এটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি। আমার নাম ছিল তাবাসসুম ফাতিমা। ফাতিমা ছিল আমার মধ্য নাম। স্কুলে ফাতিমাকেই আমার পদবি হিসেবে ব্যবহার করা হতো।’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবাকে নিয়ে কোনো স্মৃতিই নেই। আমার বোন মাঝেমধ্যে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছে, কিন্তু আমার কখনোই দেখা করার ইচ্ছা হয়নি। তাঁকে জানার কোনো কৌতূহলও নেই। আমি যেভাবে বড় হয়েছি, যেভাবে নিজের জীবন গড়েছি, তাতেই আমি সুখী ও স্থির।’ টাবুর বাবা পরে দ্বিতীয় বিয়ে করেন এবং সেই সংসারে তাঁর দুই কন্যাসন্তান রয়েছে বলেও জানা গেছে।
টাবু কখনোই বিয়ে করেননি এবং এ নিয়ে তিনি আগেও খোলাখুলি কথা বলেছেন। ২০১৭ সালে হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘সত্যি বলতে, এটা আমাকে কখনোই খুব ভাবায়নি। অবিবাহিত থাকা বা বিবাহিত থাকা—এটা আমার কাছে কাউকে বিচার করার মানদণ্ড নয়। আমি কারও মূল্যায়ন করি না তাঁর বৈবাহিক অবস্থা বা সন্তান আছে কি না, তার ভিত্তিতে। আর কেউ যদি আমাকে এই কারণে বিচার করে, আমি সেটা নিয়ে ভাবতেও চাই না।’
কাজের দিক থেকে টাবুর সামনে রয়েছে একাধিক ছবি। এর মধ্যে রয়েছে পুরি জগন্নাথের একটি প্যান-ইন্ডিয়া ছবি, যেখানে তাঁর সহ-অভিনেতা বিজয় সেতুপতি। পাশাপাশি প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় হরর-কমেডি ‘ভূত বাংলা’ ছবিতেও তাঁকে দেখা যাবে, যেখানে তাঁর বিপরীতে থাকছেন অক্ষয় কুমার। ছবিগুলো চলতি বছর মুক্তির কথা রয়েছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও