আজ
|| ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে ট্রাম্পকে চাপ দেবেন নেতানিয়াহু
প্রকাশের তারিখঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
প্রভাত ডেস্ক: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বুধবার ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দেবেন বলে জানিয়েছেন। এজন্য তিনি এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সফরে যাচ্ছেন। খবর এএফপির। এদিকে হোয়াইট হাউজে তড়িঘড়ি করে আয়োজিত বৈঠকের প্রাক্কালে ট্রাম্প বলেন, তেহরানকে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য চাপ দেওয়ার জন্য তিনি মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় মার্কিন সামরিক বহর পাঠানোর কথা ভাবছেন।
ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর এ নিয়ে নেতানিয়াহু ষষ্ঠবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন। এই সফরে ট্রাম্পকে নেতানিয়াহু ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্যও আহ্বান জানাবেন। গত সপ্তাহে ওমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করা তেহরান সোমবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে কূটনীতিতে ‘ধ্বংসাত্মক প্রভাব’ পড়ার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে।
আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের গাজা বিষয়ক ‘শান্তির বোর্ড’-এর বৈঠকে যোগ দিতে নেতানিয়াহুর ওয়াশিংটনে আসার কথা ছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই তিনি তার সফরের সময় এগিয়ে এনেছেন বলে জানা গেছে।
পরমাণু চুক্তির বিষয়ে আশার কথা বলার সময় মঙ্গলবার অ্যাক্সিওস নিউজ আউটলেটকে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, তিনি এই অঞ্চলে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর চিন্তা করছেন। তিনি বলেন, হয় আমরা একটি চুক্তি করবো নয়তো আমাদের গতবারের মতো খুব কঠোর কিছু করতে হবে। আমাদের একটি বহর সেখানে আছে এবং আরেকটি হয়তো যাচ্ছে।
গত বছরের জুনে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের ১২ দিনের যুদ্ধের সময় তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মার্কিন হামলার নির্দেশ দেওয়া ট্রাম্প পৃথকভাবে ফক্স বিজনেসকে বলেছিলেন, যেকোনো চুক্তিতে যুক্ত হতে ‘পারমাণবিক অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র’ বাদ দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইরানের নেতারা ‘একটি চুক্তি করতে চান’ তবে ‘এটি একটি ভালো চুক্তি হতে হবে। তিনি আরও বলেন, তেহরান ‘বছরের পর বছর ধরে আমাদের সঙ্গে খুবই অসৎ আচরণ করেছে।’
ওয়াশিংটনে সফরের আগে নেতানিয়াহু বলেন, তার আলোচনা ‘প্রথম এবং সর্বাগ্রে’ ইরানের পারমাণবিক আলোচনার বিষয়ে হবে এবং তারা গাজা ও অন্যান্য আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করবেন। তিনি ওয়াশিংটনে যাত্রার আগে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, আমি প্রেসিডেন্টের কাছে আলোচনার নীতি সম্পর্কে আমাদের মতামত উপস্থাপন করবো। তিনি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্রাগারের বিষয়টি তুলে ধরবেন বলেও জানিয়েছেন।
Copyright © 2026 প্রভাত. All rights reserved.