আজ
|| ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
ঢাকার পানিদূষণ কমাতে ৩৭ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক
প্রকাশের তারিখঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
প্রভাত অর্থনীতি: ঢাকার পানিদূষণ কমাতে ৩৭ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। মূলত স্যানিটেশন ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা উন্নত করা, পানিদূষণ কমানো এবং ঢাকা ও আশপাশের এলাকার নদী ও খাল পুনরুদ্ধার করাই এই টাকা খরচের লক্ষ্য। মঙ্গলবার (ওয়াশিংটন স্থানীয় সময়) বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড সভায় এই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য দেয়া হয়।
বিশ্বব্যাংক বলছে, পানিনিরাপত্তা ও সহনশীলতা কর্মসূচির আওতায় বৃহত্তর ঢাকায় পানিদূষণ কমাতে স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা জোরদার করবে। দেশের আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের প্রায় অর্ধেক এবং জিডিপির এক-তৃতীয়াংশ আসে বৃহত্তর ঢাকা থেকে। এই কর্মসূচির আওতায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিরাপদভাবে স্যানিটেশন সেবা এবং ৫ লাখ মানুষ উন্নত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা পাবে। এ ক্ষেত্রে দূষণ ও সেবাঘাটতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম বলেন, দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং শিল্পায়ন শহরের বর্জ্যপানি ও দূষণ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গেছে। যা জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে।
জ্যঁ পেম বলেন, এ কর্মসূচি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার নদী ও খালের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার এবং দূষণ কমাতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। বিশ্বব্যাংক বলছে, ঢাকা তীব্র বর্জ্যপানি ও পানিদূষণ সংকটে রয়েছে। মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ বাসিন্দার পাইপের মাধ্যমে পয়োনিষ্কাশন সংযোগ আছে। অপরিশোধিত বর্জ্যপানি ও পয়োনিষ্কাশনের ৮০ শতাংশের বেশি ঢাকার আশপাশের জলাশয়ে নিষ্কাশন হয়।
বিশ্বব্যাংক বলছে, রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার প্রায় ৮০ শতাংশ ঢাকায় অবস্থিত। ৭ হাজারের বেশি কারখানা থেকে প্রতিদিন আনুমানিক ২৪০ কোটি লিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি আশপাশের জলাশয়ে যায়, যা ত্বকজনিত রোগ, ডায়রিয়া ও স্নায়বিক সমস্যার সৃষ্টি করছে।
Copyright © 2026 প্রভাত. All rights reserved.