প্রভাত বিনোদন : হলিউড অভিনেত্রী ব্লেইক লাইভলি ও অভিনেতা-পরিচালক জাস্টিন বালডোনির মধ্যে চলমান যৌন হয়রানির মামলায় আদালত-নির্দেশিত মধ্যস্থতায় কোনো সমঝোতা হয়নি। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোর্টে সারা দিনের মধ্যস্থতা বৈঠক শেষে দুই পক্ষ কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
রোমান্টিক ড্রামা ‘ইট এন্ডস উইথ আস’–এর সহ-অভিনেতা লাইভলি ও বালডোনি গত বুধবার নিউইয়র্কের ফেডারেল আদালতে উপস্থিত হন। আদালতের ১৪ তলায় পৃথক কক্ষে দিনের বেশির ভাগ সময় কাটান তাঁরা। দিনের শেষে ভবন ছাড়ার সময় সংবাদমাধ্যমের সামনে দুজনই কোনো মন্তব্য না করে চলে যান।
বালডোনির আইনজীবী ব্রায়ান ফ্রিডম্যান সাংবাদিকদের জানান, কোনো সমঝোতা হয়নি। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সমঝোতার সম্ভাবনা থাকলেও তা খুব একটা সম্ভাব্য বলে মনে হচ্ছে না। মামলাটি বিচারে গড়াবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি মামলাটি বিচারে গড়াবে। আমরা তার জন্য প্রস্তুত।’
ফেডারেল আদালতের নিয়ম অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট জজ সারাহ এল. কেইভের তত্ত্বাবধানে এই মধ্যস্থতা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগেও উভয় পক্ষ কেইভের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসেছিল। তবে শুরু থেকেই আলোচনায় অগ্রগতির স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
লাইভলির অভিযোগ, ‘ইট এন্ডস উইথ আস’ ছবির শুটিং সেটে জাস্টিন বালডোনি তাঁকে যৌন হয়রানি করেছেন। পাশাপাশি, অভিযোগ জানানোর পর বালডোনি তাঁর জনসংযোগ টিমের মাধ্যমে লাইভলির বিরুদ্ধে বদনাম ছড়ানোর প্রচারণা চালান বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাটির বিচার শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারিত আছে ১৮ মে।
এদিকে বিচারক লুইস লিম্যান বিবেচনা করছেন—বিচারের আগেই লাইভলির অভিযোগ পুরোপুরি বাতিল করা হবে কি না, অথবা অভিযোগের বড় অংশ খারিজ করা হবে কি না। বালডোনির পক্ষ থেকে করা সামারি জাজমেন্ট আবেদনে দাবি করা হয়েছে, লাইভলির অভিযোগগুলো মূলত তুচ্ছ বিরোধ ও অসন্তোষের বিষয়, যা আইনি দৃষ্টিতে যৌন হয়রানির মানদণ্ড পূরণ করে না। অন্যদিকে লাইভলির পক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, সেটে বালডোনির আচরণ নিয়ে অন্যান্য অভিনেতাও অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের মতে, এসব অভিযোগ যথেষ্ট গুরুতর এবং বিষয়টি জুরির মাধ্যমে বিচার হওয়াই সঠিক হবে। ভ্যারাইটি অবলম্বনে