প্রভাত স্পোর্টস : রিকি পন্টিংয়ের চোখে ‘সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার’ ক্যালিসের স্কুল থেকে আসার প্রসঙ্গে পরে বলা যাবে। আগে একটু জেনে নেওয়া যাক, এখনকার সাফল্যটা কেন শ্যাডলির জন্য বিশেষ কিছু। শ্যাডলি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেছেন ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এখন খেলেছেন ১৩টি ওয়ানডে ও ১৭টি টিটুয়েন্টি। এই পেস অলরাউন্ডার সর্বশেষ টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে ৪ ম্যাচ খেললেও কোনো উইকেট পাননি। কিন্তু এবার একদমই উল্টো অভিজ্ঞতা দুই ম্যাচে ৮ উইকেট পাওয়ার পর অনুভূতিটা বলেছিলেন শ্যাডলি, ‘বাস্তব বলে মনে হচ্ছে না। স্বপ্ন মনে হয়। আমার ক্রিকেট জীবনে সবচেয়ে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হচ্ছে। খুব খুশি লাগছে না বললে মিথ্যা বলা হবে।’
সত্যিটা হলো শ্যাডলি এখন হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামে প্রচুর খুদে বার্তা পাচ্ছেন। তাঁর ভাষায়, ‘জীবনে সম্ভবত এত বেশি বার্তা আমি কখনো পাইনি। হোয়াটসঅ্যাপে প্রায় ৩৪০টি মেসেজ পেয়েছি, আর ইনস্টাগ্রামে ১০০টিরও বেশি বার্তা এসেছে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেগুলোর অনেকগুলোরই এখনো জবাব দেওয়া হয়নি।’ সেসব খুদে বার্তার মধ্যে কিছু বার্তা দক্ষিণ আফ্রিকার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান রিজা হেনড্রিকসের। দুজনে পুরোনো বন্ধু। ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে তাঁদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। ভারত ও পাকিস্তানের মতো বড় দলের বিপক্ষে খেললেও শ্যাডলির কোনো ভয়ডর ছিল না। বাবার কাছে শিখেছেন, প্রতিপক্ষ কে দেখার দরকার নেই, বলটা দেখো আর খেলো। নিজের কাজটা করো।
যুক্তরাষ্ট্রে যে ক্রিকেট ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে সেটাও জানালেন শ্যাডলি, ‘মানুষ যতটা ভাবে, যুক্তরাষ্ট্রে তার চেয়েও অনেক বেশি ক্রিকেট হয়। ধরুন, শুধু আমাদের লিগেই সিয়াটলে পাঁচটি ডিভিশন, প্রতি ডিভিশনে আটটি করে দল। সিয়াটল শহরের ১০ মাইলের মধ্যে পাঁচটি ক্রিকেট একাডেমি রয়েছে এবং প্রতিটি একাডেমিতে এই মুহূর্তে গড়ে প্রায় ১৭০ জন করে শিশু-কিশোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছে—বয়স পাঁচ থেকে শুরু করে ১৯ বছর পর্যন্ত। দক্ষতার দিক থেকে বললে, এখানে উঠে আসা প্রতিভার সংখ্যা সত্যিই ভয় ধরানোর মতো।’
ভারত ও পাকিস্তানের পর এখন পয়েন্ট তালিকার তিনে যুক্তরাষ্ট্র। আর একটি ম্যাচই খেলবে তারা গ্রুপ পর্বে। সুপার এইটে ওঠার আশাও তাদের মিলিয়ে যায়নি।