• সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফিলিস্তিনের বহু এলাকা ইসরায়েলের ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে অনুমোদন দেশ ছেড়ে পালানোর সময় ইউক্রেনের সাবেক মন্ত্রী গ্রেপ্তার আগমীকাল বছরের প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ইরান থেকে সব ইউরেনিয়াম অপসারণ করতে হবে: নেতানিয়াহু ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার সমুদ্রবন্দর বিধ্বস্ত সিরিয়া-লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলের বোমা হামলায় ৪ জন নিহত বারবার জুতা–তোয়ালে–অন্তর্বাস গায়েব, ধরা পড়ল ‘বিড়াল চোর’ নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে: অর্থনীতি পুনরুজ্জীবনের আশা ব্যবসায়ীদের শেষ মুহূর্তে বেশির ভাগ নিত্যপণ্যের আমদানি বেড়েছে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন দেওয়া যাবে, সময় বাড়িয়েছে এনবিআর

ইরান থেকে সব ইউরেনিয়াম অপসারণ করতে হবে: নেতানিয়াহু

প্রভাত রিপোর্ট / ৪ বার
আপডেট : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত খালি করতে হবে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। রোববার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যেকোনো চুক্তিতে ইরান থেকে সব ইউরেনিয়াম অপসারণের পাশাপাশি তেহরানের আরও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতাও কমিয়ে আনতে হবে। খবর এএফপির।
চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে পারমাণবিক আলোচনার দ্বিতীয় দফায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সফরের আগেই এমন মন্তব্য করলেন নেতানিয়াহু।
জেরুজালেমে এক বক্তৃতায় নেতানিয়াহু বলেন, যেকোনো চুক্তিতে বেশ কয়েকটি উপাদান অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। প্রথমটি হলো- সব ধরনের ইউরেনিয়াম ইরান থেকে অপসারণ করতে হবে। দ্বিতীয়টি হলো- তাদের সমৃদ্ধকরণের কোনো ক্ষমতাও থাকবে না। প্রথমেই সমৃদ্ধ করার জন্য সরঞ্জাম এবং অবকাঠামো ভেঙে ফেলতে হবে। তিনি বলেন, তৃতীয়টি হলো- ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সমস্যা সমাধান করা।
ইরানের ৪০০ কিলোগ্রামেরও বেশি অর্থাৎ ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে। গত জুনে পারমাণবিক পর্যবেক্ষণকারীরা শেষবার ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর আগে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
আমেরিকান ইহুদি সংগঠনের সভাপতিদের এক সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার সময়ও তিনি এই শর্তগুলোর ওপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির টেকসই পরিদর্শনেরও আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রকৃত পরিদর্শন, বাস্তব পরিদর্শন, যেকোনো সময় পরিদর্শন নয়, বরং উপরোক্ত সকলের জন্য কার্যকর পরিদর্শন হওয়া উচিত।
আমরা বিশ্বাস করি যে, চুক্তি অর্জনের জন্য এই উপাদানগুলো গুরুত্বপূর্ণ। তেহরান এবং ওয়াশিংটন গত ৬ ফেব্রুয়ারি মাস্কটে পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু করে। গত জুনে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন বোমা হামলা শুরু করার পর পূর্ববর্তী সব আলোচনা ভেস্তে যায়। সে সময় ১২ দিনের সংঘাত হয়েছে।
সর্বশেষ আলোচনায় ওয়াশিংটন তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছে এবং গত মাসে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের ওপর ইরানের মারাত্মক দমন-পীড়নের পর এই অঞ্চলে একটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও