আজ
|| ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২৭শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
৭ মিনিটে চার গোল, ছয় বছরে আর্সেনালের প্রথম
প্রকাশের তারিখঃ ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
প্রভাত স্পোর্টস : প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যে চার গোল দিলো আর্সেনাল। লিগ ওয়ানের দল উইগান অ্যাথলেটিককে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করল তারা। মিকেল আর্তেতার দল ছয় বছরে প্রথমবার এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে উঠে গেলো।
এমিরেটস স্টেডিয়ামে ইংলিশ ফুটবলের তৃতীয় স্তরের ক্লাবের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে গানাররা। ১১ থেকে ২৭- প্রথমার্ধের এই ১৭ মিনিটেই সবগুলো গোল হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ব্রেন্টফোর্ডের সঙ্গে ড্র করা দলে আটটি পরিবর্তন আনেন আর্তেতা। তারপরও আক্রমণভাগে ছিলেন বুকায়ো সাকা, এবেরেচি এজে, ননি মাদুয়েকে, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। তাদের তিনজনই জাল খুঁজে পেয়েছেন।
১১তম মিনিটে মাদুয়েকের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। মার্তিনেল্লি সাত মিনিট পর স্বাগতিকদের ব্যবধান বাড়ান। ২৩ মিনিটে আত্মঘাতী গোল করেন জ্যাক হান্ট। জেসুসের গোলে প্রথম আধঘণ্টাতেই ৪-০ তে এগিয়ে যায় গানাররা। আর্সেনাল আর গোল যোগ করতে পারেনি। কিন্তু একপেশে জয়ে তারা ২০২০ সালের এফএ কাপ জয়ের পর প্রথমবার চতুর্থ রাউন্ড পার করল।
ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে হতাশাজনক ৪৫ মিনিটের পর হাফটাইমেই এজেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। গত নভেম্বরে টটেনহ্যামের বিপক্ষে তার হ্যাটট্রিকের পর থেকে মাত্র একটি অ্যাসিস্ট, ছিল না কোনো গোল। উইগানের বিপক্ষেও গোলখরা কাটাতে পারেননি, তবে এখানে তিনি ছিলেন আর্সেনালের প্রথম দুটি গোলের কারিগর।
এজে পাস বাড়িয়েছিলেন মাদুয়েকেকে। ডান প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে পড়ে প্রথম ছোঁয়াতে দারুণ ফিনিশিংয়ে জাল কাঁপাতে কোনো ভুল করেননি মাদুয়েকে।
শিগগিরই এজে আবারো চালকের আসনে বসেন। তার পাস ধরে মার্তিনেল্লি স্যাম টিকলকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান। আর্সেনাল তাদের ব্যবধান আরও বাড়ায় পাঁচ মিনিট পর।
মরগান ফক্সকে গতিতে পরাস্ত করে মাদুয়েকে পাস দেন সাকাকে। ইংল্যান্ডের এই উইঙ্গারের পুলব্যাক জেসুসের পায়ের আঙুলে লেগে সরে যায় এবং বিভ্রান্ত হয়ে হান্ট নিজের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে হেডে আত্মঘাতী গোল করে বসেন। জেসুস ক্রিশ্চিয়ান নরগার্ডের উপর দিয়ে বাড়ানো লম্বা বল নিয়ন্ত্রণে নেন এবং এগিয়ে আসা টিকলের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে দলের চতুর্থ গোলটি করেন।
উইগান লিগ ওয়ানের ২২তম স্থানে রয়েছে, তাদের শেষ সাতটি ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতেই হার। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ গ্লেন হুইলান হয়তো সবচেয়ে খারাপ কিছুরই আশঙ্কা করছিলেন। কিন্তু তার দল চার গোলের ব্যবধান নিয়েই কোনোমতে বিরতি পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়। তারা একটি গোল শোধ করার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু জো টেলরের শট কেপা আরিজাবালাগা দক্ষতার সঙ্গে আটকে দেন।
সাকার জায়গায় হাফটাইমে ভিক্টর গিওকেরেসকে নামানো হয়। সুইডেনের এই আন্তর্জাতিক তারকা পঞ্চম গোলটি প্রায় করেই ফেলেছিলেন। কিন্তু তার প্রথম ছোঁয়ার ডিফ্লেক্টেড শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপর এক ঘণ্টার মাথায় এজে সাইড-নেটে বল মারেন। টিকল এরপর মার্তিনেল্লির কাছ থেকে নেওয়া হেডারটি বাম হাত দিয়ে প্রতিহত করেন।
উইগানের গর্বের ব্যাপার যে তারা স্কোরলাইনকে বিশাল হতে দেয়নি। শুরুর ৩০ মিনিটের গোল উৎসবের ম্যাচটি ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে পড়ে।
Copyright © 2026 প্রভাত. All rights reserved.