• বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি প্রকাশ, তাসকিনের অবনতি সিংড়ায় নিখোঁজ পল্লী চিকিৎসক ৪ দিন পর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার: এলাকায় আতঙ্ক! রাজনৈতিক বিবেচনায় ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে না : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী পরীক্ষা-মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় সংস্কার আসছে, ঈদের পর রোডম্যাপ ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষায় আসছে ডিজিটাল রূপান্তর ‘মেরুদণ্ড সোজা রেখে’ সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় সরকার: শামা ওবায়েদ পুলিশসহ অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানের প্রথম দিন: কম দামের খোঁজে রাজধানীবাসী বাজারে বাড়লো কম দামি খেজুর ও মুরগি, শসা- লেবুর দাম চিকিৎসকদের সেবা তদারকি করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইয়োলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রভাত রিপোর্ট / ১ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইয়োলের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত। এর আগে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন। কঠোর নিরাপত্তায় তাকে আদালতে হাজির করা হয় বৃহস্পতিবার। এ সময় পথে পথে, আদালতের বাইরে হাজার হাজার সমর্থক তার পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক শাসন জারি করার মধ্য দিয়ে তিনি বিদ্রোহ করেছিলেন বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকালে এই মামলার রায় দেয়া হয়।
প্রতিবেদনে বলা বলা হয়, প্রসিকিউটররা ইয়োলের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক শাসন জারি করার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে তিনিই মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। যদিও দক্ষিণ কোরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় না, তাই এমন রায় হলে তা কার্যত আজীবন কারাদণ্ডে পরিণত হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। ইয়ুন সুক ইয়োলের জারি করা সামরিক শাসনের আদেশ মাত্র ছয় ঘণ্টা স্থায়ী হয়। কিন্তু এই সংক্ষিপ্ত সময়েই তা দেশকে নাড়িয়ে দেয়। সরকার কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং পরবর্তী নির্বাচনে তার দল পরাজিত হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটি গভীরভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
ইয়ুন ইতোমধ্যেই ব্যর্থ সামরিক আইন জারির আরেক মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাভোগ করছেন। তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সর্বশেষ রায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও