আজ
|| ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ৪ঠা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
সেই বেদনাদায়ক স্মৃতি কি এখনো তাড়িয়ে বেড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে?
প্রকাশের তারিখঃ ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
প্রভাত স্পোর্টস : সামনে এগিয়ে যেতে হলে খারাপ স্মৃতি যত তাড়াতাড়ি ভুলে যাওয়া যায়, ততই ভালো। ভারতের বিপক্ষে ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে হারও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে তেমন একটা অভিজ্ঞতা, যা মনে করতে চায় না তারা। সুপার এইটে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে কুইন্টন ডি কক জানালেন— ওই হৃদয় ভেঙে যাওয়া অভিজ্ঞতার ব্যাপারে তার দলের মানসিকতা ছিল সোজাসাপ্টা : তারা বিষয়টিকে এমনভাবে ভুলতে চেয়েছিল, যেন কখনো সেটা ঘটেনি।
ডি কক বললেন, ‘সত্যি বলতে, সেই ম্যাচের পর আমরা কেবল সেটি ভুলেই গিয়েছি। পুরোপুরি সততার সাথে বলছি, আমাদের কেউ এটি নিয়ে কথা বলতে চাইনি। আমরা বাড়ি ফিরে গিয়েছিলাম এবং এটি কাটিয়ে ওঠার জন্য যার যার নিজস্ব প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছিলাম। ব্যস এটুকুই। আমরা কখনোই এটি নিয়ে আর কথা বলিনি।’
এই ফাইনাল কেন ভুলে যেতে চায় দক্ষিণ আফ্রিকা? কারণ তাতে বেদনাই বাড়বে। বার্বাডোজে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার একেবারে দোরগোড়ায় ছিল। হেনরিক ক্লাসেন বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন এবং শেষ ৩০ বলে মাত্র ৩০ রান প্রয়োজন ছিল। এই উইকেটকিপার-ব্যাটার অক্ষর প্যাটেলের এক ওভারে ২৪ রান তুলে নিয়ে ম্যাচটি ভারতের কাছ থেকে প্রায় কেড়ে নিয়েছিলেন। মনে হচ্ছিল, ট্রফিটি দক্ষিণ আফ্রিকানদের হাতেই উঠবে। কিন্তু ক্রিকেটেও মোড় ঘুরে যায়। হার্দিক পান্ডিয়া ১৭তম ওভারে ক্লাসেনকে আউট করেন। তারপর চেপে ধরে ভারতীয় বোলাররা। ১৭৭ রান তাড়া করতে গিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ তিন ওভারে এলোমেলো হয়ে পড়ে। মাত্র কয়েক রানের ব্যবধানে হারতে হয় প্রোটিয়াদের, যা বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে অন্যতম মর্মান্তিক পরাজয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে সুপার এইট ম্যাচটি হবে। ওই ফাইনালের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুই দলের প্রথম দেখা। দক্ষিণ আফ্রিকা নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে এখানে পৌঁছেছে। বার্বাডোজের সেই হারের পর প্রোটিয়ারা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল জিতেছে। এই সাফল্যে ক্রিকেট বিশ্বে তাদের সম্পর্কে ধারণা পাল্টে দিয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা একটি পরিষ্কার পরিকল্পনা নিয়েই এই ম্যাচে নামছে। এইডেন মার্করামের অফ-স্পিন একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তারা ভারতের টপ অর্ডারকে লক্ষ্য করে ম্যাচ নির্ধারণে কৌশলগত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
Copyright © 2026 প্রভাত. All rights reserved.