• সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন মিনি পেট্রোল পাম্পের কার্যক্রম বন্ধ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আইনের কাঠামো পর্যালোচনা করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ-সুইজারল্যান্ড সম্পর্ক জোরদারে কাজ করার আশাবাদ সেতুমন্ত্রীর জুলাইয়ের পর নারীদের প্রতি সাইবার বুলিং বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি ৫১ ক্লাবের কাউন্সিলর ও ক্লাব সংগঠকদের খাদ্য ব্যবসার সব লাইসেন্স ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে দেয়ার তাগিদ বেসরকারি ক্লিনিকের নাম পেয়েছি যাদের মাধ্যমে দালাল চক্র পরিচালিত হয় ঢাকা-১৬ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ মির্জা আব্বাসকে ‘ভয়ভীতি’, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হতে সমন গরুর জাত ও ধরন অনুযায়ী মাংসের দাম নির্ধারণে আইনি নোটিশ

গরুর জাত ও ধরন অনুযায়ী মাংসের দাম নির্ধারণে আইনি নোটিশ

প্রভাত রিপোর্ট / ৬ বার
আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: বাজারে হাঁস-মুরগির মতো গরুর জাত ও ধরন (যেমন: দেশি ষাঁড়, সংকর জাত, বয়স্ক গাভি, বকনা) অনুযায়ী গরুর গোস্তের দাম আলাদাভাবে নির্ধারণের দাবিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। জনস্বার্থে রবিবার ( ৮ মার্চ) নোটিশটি পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন বিবাদী করে এই লিগ্যাল নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের বাজারে ব্রয়লার, সোনালি ও দেশি মুরগির দাম আলাদাভাবে নির্ধারিত হয়। কিন্তু গরুর মাংসের ক্ষেত্রে এমন কোনো বিভাজন নেই। বর্তমানে দেশি ষাঁড়, শংকর জাতের গরু বা ফার্মের গরু, বয়স্ক গাভি এবং বকনা গরুর মাংস বেআইনি ও ইচ্ছামাফিকভাবে একই দামে (ফ্ল্যাট রেটে) বিক্রি হচ্ছে।
নোটিশে বলা হয়, এই অভিন্ন মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা সাধারণ ভোক্তাদের সাথে এক বিশাল প্রতারণা এবং অন্যায্য বাণিজ্য প্রথা। এর ফলে সাধারণ ভোক্তারা নিম্নমানের এবং অপেক্ষাকৃত শক্ত মাংসের, বিশেষ করে বয়স্ক গাভির জন্য প্রিমিয়াম বা অতিরিক্ত দাম দিতে বাধ্য হচ্ছেন এবং তাদের আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অন্যদিকে, এই সিন্ডিকেটের কারণে দেশের প্রান্তিক ও গ্রামীণ খামারিরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। যেসব খামারি শ্রম ও সময় দিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে উন্নত মানের দেশি গরু পালন করেন, তারা ন্যায্য আর্থিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অপরদিকে, শংকর জাতের গরুর খামারি এবং বয়স্ক গাভি বিক্রিকারী সিন্ডিকেটগুলো অযৌক্তিক মুনাফা লুটে নিয়ে একটি বৈষম্যমূলক অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরি করছে। কর্তৃপক্ষের এই নিষ্ক্রিয়তা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর সরাসরি লঙ্ঘন।
লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে গরুর জাত ও ধরন (দেশি ষাঁড়, শংকর, বয়স্ক গাভী, বকনা ইত্যাদি) অনুযায়ী খুচরা পর্যায়ে মাংসের দাম নির্ধারণে বাধ্যতামূলক প্রশাসনিক ও আইনি নির্দেশনা জারি করার দাবি জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে, বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও