• সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন

গাইবান্ধায় বোরোর ভালো ফলনের সম্ভাবনা , মাঠ জুড়ে সবুজের সমাহার

প্রভাত রিপোর্ট / ৮ বার
আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

মো. নজরুল ইসলাম, গাইবান্ধা : গাইবান্ধার জেলার সদর,সাদুল্ল্যাপুর,পলাশ বাড়ি, সুন্দরগজ্ঞ ,ফুলছড়ি ,সাঘাটাওগোবিন্দগজঞ উপজেলার গ্রামাঞ্চলে এ বছর মাঠের-মাঠ বোরো ধানের চাষে আশার আলো দেখা যাচ্ছে।এ জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সবুজ ধানের চারা দুলছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত সেচব্যবস্থা এবং কৃষকদের আগ্রহের কারণে এ মৌসুমে বোরো আবাদ ভালো হয়েছে বলে গাইবান্ধা কৃষি বিভাগ মনে করছে।
কৃষকেরা জানান, সময়মতো বীজতলা তৈরি, চারা রোপণ এবং সার-সেচ ব্যবস্থাপনার কারণে ধানের গাছ ভালোভাবে বেড়ে উঠছে। মাঠের পর মাঠ সবুজে ভরে উঠেছে, যা কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, তাহলে এ বছর বোরো ধানের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
মোঃ তানজিমুল হাসান উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (৭মার্চ শনিবার বিকাল সাড়ে তিন টায়)এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনে বলেন, নিয়মিত ভাবে মাঠ পরিদর্শন করে কৃষকদের বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ দিচ্ছেন—যেমন সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ, কীটনাশক ব্যবহারে সতর্কতা এবং সেচ ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখা। এসব নির্দেশনা মেনে চললে উৎপাদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে গাইবান্ধার মাঠজুড়ে ইরি-বোরো ধানের সবুজ সমাহার কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে এবং জেলার খাদ্য উৎপাদনে ইতিবাচক সম্ভাবনা তৈরি করছে।
গাইবান্ধা জেলায় চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের চাষে আশাব্যঞ্জক চিত্র দেখা যাচ্ছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সবুজ ধানের চারা দুলছে, যা কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো: আতিকুল ইসলাম বলেন, অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত সেচব্যবস্থার কারণে এ বছর গাইবান্ধা জেলায় বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১লক্ষ্য ২৫ হাজার ৫শত ৪২ হেক্টর জমিতে। অনেক এলাকায় ইতোমধ্যে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে এবং ধানের গাছ ভালোভাবে বেড়ে উঠছে।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুটি পাড়ার কৃষক মোঃ মনু মিয়া জানান, সময়মতো বীজতলা প্রস্তুত ও চারা রোপণের পাশাপাশি সঠিকভাবে সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা করায় ধানের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাঠের পর মাঠ সবুজে ভরে উঠায় কৃষকের মুখে এখন আশার হাসি।
এদিকে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন। তারা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর জেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও