• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এপ্রিলের ২৫ দিনে এলো ২৫৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড : বাণিজ্যমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলছে : সেতুমন্ত্রী গাইবান্ধায় বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বর্তমান সংসদ কার্যকরী ভূমিকা রাখবে : স্পিকার এ মাসেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে আরও ১,৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আজহারীর ‘ডিপফেক’ ভিডিও বানিয়ে প্রতারণা : ১০ যুবক কারাগারে নাটোরে ২১ বছর বয়স দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুর নামে মামলা একনেকে ১৭ প্রকল্প উত্থাপন, পাস ১৫ : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী পরিবারের দিক থেকে আমি রাজকপালী, বললেন নিপুণ রায়

জ্বালানি সংকট মেটাতে মার্কিন তেলের দিকে ঝুঁকছে এশিয়া

প্রভাত রিপোর্ট / ৪৫ বার
আপডেট : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের ওপর জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে এখন বিকল্প উৎস হিসেবে মার্কিন তেল ও গ্যাসের দিকে ঝুঁকছে এশিয়ার দেশগুলো। ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বিশ্ববাজারে বর্তমানে মার্কিন জ্বালানির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে।
বাজারদর বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘আর্গাস মিডিয়া’র তথ্যমতে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে এশিয়ায় সরবরাহকৃত মার্কিন ‘লাইট সুইট ক্রুড’ তেলের দাম ৪৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের ভাড়া চার গুণ বেড়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ইউরোপ অভিমুখী অন্তত চারটি এলএনজিবাহী জাহাজ ঘুরিয়ে এশিয়ার দিকে পাঠানো হয়েছে।
আর্গাস মিডিয়ার এশিয়া অঞ্চলের প্রধান ফাবিয়ান এনজি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জাপানি শোধনাগারগুলো আগামী জুনে সরবরাহের জন্য প্রায় ৯০ লাখ ব্যারেল মার্কিন অপরিশোধিত তেল কিনেছে। তবে বাড়তি দামের কারণে এশিয়ার অনেক দেশ এখনই বড় চুক্তিতে যাচ্ছে না; তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
এদিকে, এশিয়ার দেশগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ জ্বালানি যে ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে আসে, সেখানে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়ছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের কাছ থেকে তারা ইরানের ১৬টি মাইন স্থাপনকারী জাহাজ ধ্বংস করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, প্রণালিতে মাইন স্থাপনের পরিণাম ভালো হবে না।
সংঘাতের কারণে জ্বালানির প্রধান উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো এখন তাদের মজুত করা তেলের ওপর নির্ভর করছে, যা বড়জোর কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে। তবে গবেষণা সংস্থা ‘এনার্জি অ্যাসপেক্টস’-এর বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করার মতো উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নেই।
এনার্জি অ্যাসপেক্টস-এর বিশ্ব গ্যাস বিষয়ক প্রধান লিভিয়া গ্যালারাতি বলেন, “এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এশিয়ার অধিকাংশ দেশ এখন মজুত করা জ্বালানি ব্যবহার করছে। অনেকে গ্যাসের বদলে অন্য বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার কিংবা শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমিয়ে চাহিদা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।”

সূত্র : সিএনএন।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও