আজ
|| ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১২ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
আন্তর্জাতিক শান্তি-নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
প্রকাশের তারিখঃ ২৮ মার্চ, ২০২৬
প্রভাত রিপোর্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ‘জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন’র উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। শনিবার (২৮ মার্চ) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কের একটি স্থানীয় হোটেলে এক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রায় ১৫০টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, জাতিসংঘ সচিবালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনৈতিক ব্যক্তিরা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর থেকে বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ধারণ করে আসছে। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সাধন করেছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ কেবল একটি জাতির জন্মলগ্নই নয়, বরং এদিনটি বাঙালি জাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক। এর আগে সকালে মিশনের অডিটোরিয়ামে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।এতে বিশিষ্টজনদের বাণী পাঠ করা হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
Copyright © 2026 প্রভাত. All rights reserved.