• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৩৫ বছর পরও উপকূলে আতঙ্ক: ১৯৯১-এর ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষত আজও শুকায়নি তামাকখেতের ঘেরাটোপে বিদ্যালয়: চকরিয়ায় শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা হুমকির মুখে রাজবাড়ীতে পেঁয়াজ বাজারে ‘ধলতা’ বন্ধে বিশেষ অভিযান পানির চাপে ভেঙে গেলো ঝিনারিয়া হাওরের রাস্তা, ডুবছে ফসল পাঁচ বছর ধরে বেতন পান না শেরপুর পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মৌলভীবাজারে পানিতেডেুবে গেছে ধানক্ষেত, দিশেহারা কৃষক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়লো মাইক্রোবাস, গাঁজাসহ আটক চালক ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ঘটনা ধামাচাপা দিতেই হত্যা, গৃহশিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড শেরপুরের ঝিনাইগাতী সীমান্তে বন্ধ হচ্ছে না মাদক পাচার সিদ্ধিরগঞ্জে গণঅভ্যুত্থানে থানা থেকে লুট হওয়া পিস্তল উদ্ধার

অঙ্গহানি করে ভিক্ষাবৃত্তি : তিন আসামির আমৃত্যু, ২ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

প্রভাত রিপোর্ট / ৬৫ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: ১৬ বছর আগে রাজধানীর কামরাঙ্গীচর থানাধীন এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে অঙ্গহানি করে ভিক্ষাবৃত্তি করানোর মামলায় তিন জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং দুই জনের দশ বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমানের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, এই অর্থ অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সালাউদ্দিন, মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া ও খন্দকার ওমর ফারুক। বয়স বিবেচনায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন, মো. রমজান ও সাদ্দাম। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কাউসার ও নাজমা আক্তার নামের দুই আসামিকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
রায়ে আসামিদের স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি প্রকাশ্য নিলামে বিক্রয় পূর্বক অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্থ ভিকটিমের পরিবারকে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আসামি শরিফুল ইসলাম ও খন্দকার ওমর ফারুক কারাগারে আছেন। তবে পলাতক থাকা সালাউদ্দিন, রমজান ও সাদ্দামের বিরুদ্ধে আদালত সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল আমিন চৌধুরী (হারুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৬ মে কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে সাত বছরের এক শিশুকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় আসামিরা। তাদের পরিকল্পনা ছিল শিশুটিকে আজীবনের জন্য পঙ্গু করে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত করা। এই উদ্দেশ্যে তারা নির্জন স্থানে নিয়ে শিশুটির লিঙ্গ কর্তন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র ও ইট দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনার পর শিশুটির মা বাদী হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক এএসপি মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন৷ এরপর ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন৷ মামলাটির বিচারকালে ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও