আজ
|| ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১১ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
সংসদের অধিবেশন থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
প্রকাশের তারিখঃ ৯ এপ্রিল, ২০২৬
প্রভাত রিপোর্ট: জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে আবারও ওয়াকাআউট করেছে বিরোধী দল। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ৫টা ৫৬ মিনিটে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলীয় জোট। সংসদের বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য বিরোধীদলের যৌক্তিক বাধা স্বত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে, আমরা তার দায় নিতে চাই না। তাই সংসদ থেকে ওয়াকাআউট করছি। বিরোধীদলের নেতা ওয়াকআউট ঘোষণা দিয়ে জোটের সংসদ সদস্যদের নিয়ে অধিবেশন থেকে বের হয়ে যান। এসময় ডেপুটি স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কিছু বলার সুযোগ দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আমি ধন্যবাদ জানানোর জন্য উঠছি। আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার ফাস্ট রিডিং, সেকেন্ড রিডিং, থার্ড রিডিং, সব রিডিংয়ে উনারা সহায়তা করেছেন। কেউ কেউ হাত তুলে সমর্থনও দিয়েছেন। সমস্ত প্রক্রিয়া অংশগ্রহণের পরে ওয়াকআউটের কোনো মানে আছে কিনা এটা জানার জন্য। সমস্ত প্রক্রিয়া তারা অংশগ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি মাগরিবের নামাজের পর তারা আবার অংশগ্রহণ করবেন।
১৯৭৫ সালে মাত্র সাত মিনিট আলোচনা করে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল গঠন করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৯ এপিল) জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল, ২০২৬’-এর ওপর আলোচনাকালে তিনি এ কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৪৭-এ একবার এবং ২৩ বছর পর মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যারা দেশ ও জাতির জন্য বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন, তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
বক্তব্যে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাকশালের ইতিহাস টেনে বলেন, ৭৩-এর সংসদ মাত্র সাত মিনিট আলোচনা করে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল এবং একদলীয় বাকশালের জন্ম দিয়েছিল। এরপর ৭৫-এর পট পরিবর্তনের পর মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে আসে। তিনি জনগণের মনের ভাষা পড়তে পেরেছিলেন, এজন্য দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার সময় তিনি বিরল সম্মান নিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ১৯৭৯ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামী দায়, দরদ ও ভালোবাসা নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আলোচনাধীন বিলটি প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল পাসের বিষয়টি তারা সংসদের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছেন। সংসদ সদস্যদের সম্মিলিত বিবেচনার মাধ্যমেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।
Copyright © 2026 প্রভাত. All rights reserved.