আজ
|| ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারা যে–ই হোক ছাড় দেয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী
প্রকাশের তারিখঃ ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
প্রভাত সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘স্থিতিশীল, সহনশীল ও সংবেদনশীল একটি দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আমরা নির্বাচিত হয়েছি জনগণের ভোটে। যারা স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে, তারা যে–ই হোক, তাদের আইনের চোখে ছাড় দেওয়া হবে না। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারা যে–ই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) দুই নেতার ওপর হামলাসহ উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্ত্রী এ কথাগুলো বলেন। এর আগে সেখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দির হিসেবে নির্মিত ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজে সব সময় কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক থাকে, যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তাদের দল বলে কিছু নাই। সব সময় কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি সমাজে থাকে। তাদের বিষয়ে বাংলাদেশের আইন যথাযথ ব্যবস্থা করবে। আইনের বাইরে কেউ যাওয়ার কোনো সুযোগ নাই। আমরা পরিষ্কারভাবে বলছি, কোনো জায়গায় দলীয়করণ করার কোনো সুযোগ নাই। আমি একটু আগে বক্তৃতা করে বলেছি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাইরের কেউ যাতে ঢুকতে না পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া করবে, এখানে দলীয়করণের কোনো সুযোগ নাই।’
মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ আল-ফোরকান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দুধর্মাবলম্বী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ‘সনাতন ধর্ম পরিষদ’-এর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালে মন্দির নির্মাণের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে ২০১৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রায় ২০ হাজার বর্গফুট জমির ওপর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কাজ শুরু হয়। মনোরম স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই মন্দিরের মূল স্থাপনা নির্মাণে সম্পূর্ণ অর্থায়ন করেছেন অদুল-অনিতা ফাউন্ডেশন। এটির নকশা ও প্রকৌশল সহায়তা দেয় ‘এস্ট্রো’ এবং ইন্টেরিয়র সজ্জায় যুক্ত ছিল ‘দি-অ্যাড কমিউনিকেশন’।
Copyright © 2026 প্রভাত. All rights reserved.