• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জ্বালানি সংকট ও লোডশেডিং, মব কালচার ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে সরকার হজে খরচ কমাতে বিমান ভাড়া হ্রাস : ধর্মমন্ত্রী বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হয়েছে : শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ ২৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন মোবাইল ইউনিটে গ্রামেই হবে হৃদরোগের জটিল চিকিৎসা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ‘গুপ্ত’ ও চট্টগ্রামে সংঘর্ষ ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ জনগণের কাছে যান, শহর ঘুরে দেখুন: সিটি প্রশাসকদের প্রতি প্রতিমন্ত্রী চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু: স্পিকার

জলাতঙ্ক নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

প্রভাত রিপোর্ট / ১৭২ বার
আপডেট : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, জলাতঙ্ক রোগ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, বরং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। কুকুর বা বিড়ালের কামড় ও আঁচড়ের মাধ্যমে এ রোগের সংক্রমণ ঘটে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-তে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, মাস ডগ ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম, শেল্টার ও রেসকিউ সেন্টার, অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাক্ট ২০১৯ এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে হবে। পাশাপাশি কুকুরের প্রতি আমাদের মানসিকতা ও আচরণেও পরিবর্তন এবং এদের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, জলাতঙ্কের শেষ পর্যায়ের আগে বেশ কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। কিন্তু আমরা সাধারণত কুকুর বা বিড়ালের আঁচড়কে গুরুত্ব দিই না। শুধু কামড় দিলে অথবা আঁচড়ে ক্ষত সৃষ্টি হলে চিকিৎসার কথা চিন্তা করি। অথচ এসব ক্ষেত্রে দেরি না করে শুরুতেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান।
অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ ঔষধাগারের পরিচালক ডা. মো. শাহিনুর আলম। তিনি তার প্রবন্ধ উপস্থাপনায় বলেন, বিশ্বের ১৫০টি দেশে জলাতঙ্ক রোগ বিস্তৃত রয়েছে। এই রোগে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৫৯ হাজার মানুষ মারা যায় এবং এ রোগে বিশ্ব আর্থিকভাবে ৮.৬ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, মানবস্বাস্থ্য ভালো রাখতে কুকুরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হবে। এ মুহূর্তে রোগ নিয়ে গবেষণা করাও দরকার। আমাদের প্রাণিদের প্রতি আরও মানবিক হতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফর, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক, আইইডিসিআর-এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন, এসিআই এগ্রি বিজনেস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট ড. এফ. হে. আনসারী। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অভয়ারণ্য–বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা রুবাইয়া আহমেদ, পিপল ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্থপতি রকিবুল হক এমিল, কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আজিজ আল মামুন প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও