• বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আইসিসি মেয়েদের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ জিতল বাংলাদেশ বিশ্বের ‘সবচেয়ে বাজে’ লিগের তকমা পেল বিপিএল আমরা টেনিস খেলোয়াড় নাকি চিড়িয়াখানার প্রাণী : প্রশ্ন ইগা সিওনতেকের ক্রিকেটাররা যেতে পারেননি, শুটিং দল কি ভারত যেতে পারবে ব্রুক-তাণ্ডবে শ্রীলঙ্কার মাটিতে সিরিজ জয় ইংল্যান্ডের ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপার শিরোপা জয় ডি মারিয়ার সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচের আগমুহূর্তে দুর্ঘটনার কবলে ২ ফরাসি তারকা মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার গ্রেপ্তার হঠাৎ মেয়ের লাইভে ঢুঁ মেরে সবাইকে অবাক করে দিলেন কিম কার্ডাশিয়ান ‘ডারসিন’স ডে’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের গল্পে ডায়ান কেনেডি

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপার শিরোপা জয় ডি মারিয়ার সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত

প্রভাত রিপোর্ট / ৭ বার
আপডেট : বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস: জাতীয় দলে ফেরার প্রলোভন এখনো কাজ করে। বিশেষ করে যখন আরেকটা বিশ্বকাপ দুয়ারে থাকে। তবে সবকিছু ভেবেই বাস্তবতা মেনে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। জাতীয় দলের অধ্যায়কে অতীত হিসেবে মেনে নিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি স্প্যানিশ দৈনিক এএস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোজারিও সেন্ট্রালের এই ফরোয়ার্ড বলেছেন, “ইচ্ছা নেই, এমন নয়। কিন্তু আমি আমার চক্র পূরণ করেছি। যা চেয়েছি, সবই অর্জন করেছি। এখন নতুন প্রজন্মের সময়।”
নিজের অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ডি মারিয়া জানান, কাতার বিশ্বকাপের পরই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন। তবে সতীর্থদের অনুরোধে কোপা আমেরিকায় খেলতে রাজি হন। “কোপা আমেরিকা জেতার পর সবকিছু সিনেমার মতো লাগছিল,”—বলেন তিনি।
২৮ বছরের শিরোপাখরা কাটানোটা ছিল বড় বিষয়। ক্লাব পর্যায়ে ভালো করলেও দেশের হয়ে ট্রফি না জেতার একটা ভার ছিল। ব্রাজিলের বিপক্ষে ফাইনালে আমার করা গোল, ওটা জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তগুলোর একটি।
জাতীয় দলের হয়ে নিজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে ২০২১ কোপা আমেরিকার কথাই তুলে ধরলেন ডি মারিয়া। তিনি বলেন, “২৮ বছরের শিরোপাখরা কাটানোটা ছিল বড় বিষয়। ক্লাব পর্যায়ে ভালো করলেও দেশের হয়ে ট্রফি না জেতার একটা ভার ছিল। ব্রাজিলের বিপক্ষে ফাইনালে আমার করা গোল, ওটা জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তগুলোর একটি।”
কাতার বিশ্বকাপ জয় নিয়েও কথা বলেছেন ডি মারিয়া। তার ভাষায়, “এর মূল্য অবশ্যই বেশি, তবে প্রতিটি শিরোপাই ত্যাগের পুরস্কার।” ক্যারিয়ারে জেতা ৩৭টি ট্রফির কথা উল্লেখ করে তিনি যোগ করেন, “একটাকেও হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।”
লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পার্থক্য প্রসঙ্গে সাবেক সতীর্থ ডি মারিয়া বলেন, “ক্রিস ছিল কঠোর পরিশ্রম আর এক নম্বর হওয়ার প্রতি নিবেদিত। আর লিও লকাররুমে মাতে খেয়েও মাঠে নেমে দেখিয়ে দিতো, ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রতিভা নিয়ে সে সেরা।”
রিয়াল মাদ্রিদে সতীর্থ থাকা রোনালদোর প্রশংসা করে ডি মারিয়া বলেন, “পেশাদারিত্বের দিক থেকে তার মতো আর কেউ নেই—কাজের নেশা আর দীর্ঘ সময় ধরে একই মান ধরে রাখার ক্ষমতা অসাধারণ।” শেষ পর্যন্ত তিনি বলেন, “তার সময়টা মেসির যুগের সঙ্গে মিলেছে, তাই নিজের লক্ষ্য পূরণটা তার জন্য আরও কঠিন ছিল।”


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও