• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সেই শিশুর খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা, হাসপাতালে গেলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা ২১ দিনের প্রচারণা আমার রাজনৈতিক জীবনে প্রথম অভিজ্ঞতা: মির্জা আব্বাস ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং-কারচুপির আভাস পাচ্ছি: মাহদী আমিন ধর্মের নামে দেশে আবার ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে: রিজভী খাতভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার ২৮ দফা ঘোষণা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে নাহিদ ইসলাম এদেশের সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে ফ্যাসিবাদের করুণ পরিণতির কথা মাথায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ৪৮ শতাংশের পছন্দ বিএনপি জলবায়ু পরিবর্তনে ওলটপালট ঋতুচক্র মাঘেই বসন্তের তাপ, বিদায় নিল শীত
ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার

খাতভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার ২৮ দফা ঘোষণা

প্রভাত রিপোর্ট / ৬ বার
আপডেট : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। নির্বাচনী ইশতেহারে খাতভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার ২৮ দফা ঘোষণা করেছে দলটি। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে দলটির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
খাতভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার ২৮ দফা হলো- অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি; মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও ক্রয়ক্ষমতা সংরক্ষণ; বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা; সুশাসিত আর্থিক খাত ব্যবস্থাপনা; স্বল্পোন্নত দেশ থেকে টেকসই উত্তরণ; বিনিয়োগের স্বর্গ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা; জননিরাপত্তা ও আইনের শাসন; নাগরিক সুবিধাসম্বলিত শহর ও গ্রাম; নৈতিকতায় সমৃদ্ধ কর্মমুখী বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা; সর্বজনীন কর্মসংস্থান; দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার পরিস্থিতির আলোকে যুবদের জন্য শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি; শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয় সাধন এবং উৎপাদন-সংরক্ষণ ও বিপণনকে প্রাধান্য দিয়ে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা।
এছাড়া খাতভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার ২৮ দফার মধ্যে আরও রয়েছেÍ প্রবাসী কল্যাণ; সর্বজনীন উন্নত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা ব্যবস্থা; সিনিয়র সিটিজেন ম্যানেজমেন্ট; আঞ্চলিক উন্নয়ন ভারসাম্য; বাংলাদেশকে বিশ্ব পর্যটনের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা; নিরাপদ ও বহুমাত্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা; সবার জন্য সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানির নিশ্চয়তা; পরিবেশ, জলবায়ু ও বন রক্ষায় দেশীয় বাস্তবতা ও আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ করা; গৃহায়ণ ও গণপূর্ত; তথ্য ও সম্প্রচার; শ্রম ও কর্মসংস্থান; স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ; আধুনিক, টেকসই ও স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা; জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ; পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ২৮টি খাতভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতি দুর্বল ভিত্তির ওপরে দাঁড়িয়ে আছে। রপ্তানি পণ্য একমুখী ও নিবিড় শ্রমনির্ভর। মূলধনী পণ্য-প্রযুক্তি থেকে শুরু করে ভোগ্যপণ্য ও নিত্যদিনের খাবারÍ প্রায় সবই আমদানি করতে হয়। বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান জোগান আসে রেমিট্যান্স থেকে। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সিংহভাগই নিম্নস্তরের শ্রমনির্ভর। ফলে আমাদের অর্থনীতি খুবই ভঙ্গুর। যেকোনো দেশের নিষেধাজ্ঞা বা অতিরিক্ত করারোপের মাধ্যমেই আমাদের অর্থনীতিকে ধসিয়ে দিতে পারবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে রপ্তানিকে বহুমুখী ও প্রযুক্তি-কেন্দ্রিক করা হবে। মূলধনী পণ্য আমদানির বদলে নিজেরাই উৎপাদনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৈদেশিক কর্মসংস্থানে দক্ষতাকে প্রাধান্য দেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিতে সুশাসনের অভাব রয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে ব্যাংকসহ আর্থিক খাতের দুর্নীতি বন্ধ করা হবে। টাকা পাচার পুরোপুরি রোধ করা হবে। অর্থনীতিতে কঠোর সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। ঋণের শর্ত ক্রমান্বয়ে কঠিন হওয়া ও ঋণের সুদের হার বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে ঋণ আলোচনায় দক্ষতা ও পেশাদারত্বের উৎকর্ষ বিধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং বিশেষত কঠিন শর্তে ঋণগ্রহণের পূর্বশর্তসমূহ পুনর্বিবেচনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও