• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঝুঁকিপূর্ন ভোটকেন্দ্র নিয়ে শংকায় হেভিওয়েট তিন প্রার্থী `ভয়কে পেছনে রেখে সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান’ দ্রব্যমূল্যের ব্যর্থতার দায়িত্ব নেব না : ফরিদা আখতার ‘এমন কোনো ভুল করা যাবে না, যাতে ভোটের ফলাফল ক্ষতিগ্রস্ত হয়’ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে ফলাফল মেনে নেবে বিএনপি: মাহদী আমিন নিম্ন আদালত জুন-ডিসেম্বরে দুই দফায় বন্ধ থাকবে নির্বাচন খুবই উৎসবমুখর, ফ্রি-ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ৮৫-৮৬ শতাংশ পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা মিলবে : বাণিজ্য উপদেষ্টা এবার দুটি প্যাকেজের হজযাত্রীদের ৩ কোটি টাকা ফেরত দিতে পারবো: ধর্ম উপদেষ্টা অন্তর্ভুক্তি হওয়ার মাইন্ডসেট আ. লীগের মধ্যে নাই: আসিফ নজরুল

বিচ্ছেদের সময় সন্তানের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে চিন্তিত ছিলেন সাইফ

প্রভাত রিপোর্ট / ৭ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত বিনোদন : বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান ও তাঁর প্রথম স্ত্রী অমৃতা সিং ছিলেন একসময়ের সবচেয়ে আলোচিত জুটি। তাঁদের প্রেম, বিয়ে এবং পারিবারিক জীবনের গল্প এখনো দর্শক এবং ভক্তদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। বিশেষ করে তাঁদের ধর্মীয় পার্থক্য ও সন্তানদের নিয়ে প্রকাশিত নানা তথ্য এখন সমান আলোচনা তৈরি করে। সাইফ আলী খান, যিনি পাতৌদি পরিবারের রাজকীয় ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী, অন্যদিকে অমৃতা সিংয়ের মা ছিলেন মুসলিম; বাবা শিখ। দুই তারকার বিয়ের গল্প খুবই নাটকীয়, সিনেমার মতো বললেও ভুল হয় না। যদিও তাঁদের মধ্যে ১২ বছরের বয়সের ফারাক ছিল, ভিন্ন ধর্মীয় পরিচয় ছিল; তবু প্রেম তাঁদের একত্র করেছিল।
সাইফ ও অমৃতার পরিচয় হয়েছিল রাহুল রাওয়াইলের একটি সিনেমার সেটে। সাইফ প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়েন; অমৃতাকে তাঁর বাড়িতে ডিনারের জন্য আমন্ত্রণ জানান। অমৃতা প্রথমে কিছুটা সংযমী ছিলেন, কিন্তু পরে সেই ডিনারই তাঁদের সম্পর্কের সূচনা করেছিল।
সাইফ একবার জানান, ‘ডিনারে শেষ পর্যন্ত আমরা চুম্বন করেছি। সেই রাতের পর আমি আর তার বাড়ি ত্যাগ করিনি। অন্য রুমে ঘুমাতাম। মা আমার সম্পর্কে জানতেন, কিন্তু বিয়ের পক্ষে ছিলেন না।’ এই ডিনারের কয়েক মাস পর প্রেমিক যুগল অবিলম্বে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।
ডিজাইনার দম্পতি আবু জানি ও সন্দ্বীপ খোশলা ফাঁস করেছেন, সে সময় তাঁদের বন্ধুদের অ্যাপার্টমেন্টে দ্রুত বিয়ে হয়। সেখানে কাজি ও শিখ পণ্ডিত দুজনেই উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের সময় নাম বদলে অমৃতার নাম হয় আজিজা। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল দ্রুত, কিন্তু সবকিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছিল।
আবু জানি ও সন্দ্বীপ বলেন, ‘সাইফ ও ডিঙ্গি (অমৃতার ডাকনাম) একদিন এসে বললেন, “আমরা এখনই বিয়ে করতে চাই।” তখন তাঁরা প্রেমে মগ্ন ছিলেন, কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব ঠিকঠাক হয়।’
সাইফ একবার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘ডিঙ্গিকে কখনোই তার ধর্ম ত্যাগ করতে বলিনি। আমার ধর্ম পালনে বাধ্য করা হয়নি। আমাদের মধ্যে সব সময় ছিল “প্রত্যেকের ধর্ম নিজস্ব” নীতি। একই নিয়ম আমাদের সন্তানদের জন্যও ছিল।’
সাইফ আরও বলেন, ‘আমি শিশুদেরÍসারা ও ইব্রাহিমÍখেয়াল রাখতাম। যখন অমৃতা গুরুদুয়ারায় যেত, আমি তাদের দেখাশোনা করতাম।’
সাইফ স্বীকার করেছেন, বিচ্ছেদের সময় তিনি নিজের সন্তানের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘বিচ্ছেদের সময় আমি বেশি চিন্তিত ছিলাম সারা ও ইব্রাহিমের জন্য। তবে আমি অমৃতার প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রাখতাম। আমি নিশ্চিত ছিলাম, সে কখনোই আমাদের ধর্ম সম্পর্কে ভুল প্রভাব ফেলবে না।’
এই সময় সাইফের জীবনেও নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছিলÍকারিনা কাপুরকে বিয়ে করার পরিকল্পনা। তিনি স্পষ্ট করেছিলেন যে তাঁদের পার্থক্য কখনোই তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাসে প্রভাব ফেলবে না।
সারা আলী খান একবার টাইমস নাউ সামিটে স্বীকার করেছিলেন যে তিনি ছোটবেলায় তাঁর পরিবারের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি খুব ছোট ছিলাম, স্কুলে পড়তাম। যখন আমাদের পরিবার বিদেশে যেত, আমি সব সময় ভাবতামৃঅমৃতা সিং, সাইফ, সারা সুলতানা, ইব্রাহিম আলী খানৃআমরা আসলে কে? আমি মায়ের কাছে জিজ্ঞেস করি, “আমি কে?” তিনি বললেন, “তুমি ভারতীয়। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও