প্রভাত রিপোর্ট: অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোন সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি। সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও মঞ্জুরুল আলম পান্নাকে মত প্রকাশের জন্য জেলে যেতে হয়নি। রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে নিশ্চয়ই ভিন্ন কোনো তথ্য ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলেন, ১৮ মাসে সফলতা বা ব্যর্থতা বলার কিছু নাই। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। জনগণ মূল্যায়ন করবে।
সাবেক উপদেষ্টা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশে থাকতেন না- উল্লেখ করে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশ ছেড়ে চলে গেছেন এটা বলার আগে বলতে হবে ফয়েজ তৈয়্যব দেশে এসেছিলেন।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, ফয়েজ তৈয়্যব দেশে থাকতেন না। তিনি কাজ করতেন নেদারল্যান্ডসে এবং তার পরিবারও সেখানে থাকে। ফয়েজ তৈয়্যব দেড়টা বছর তার পরিবার থেকে আলাদা থেকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হয়েছে, তিনি তার পরিবারের কাছে ফেরত গেছেন। এটাকে অনেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চাইছে বলেও মন্তব্য করেন পরিবেশ উপদেষ্টা।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব যে টেলিযোগাযোগ খাতে সংস্কার কার্যক্রমগুলো করেছেন, সেগুলো অনেকের পছন্দ হয়নি। তাই তারা এ কথাগুলো বলছে।
পরিবেশ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘দেশে একটা গ্রুপ আছে যারা সবকিছুতেই নাটকীয়তা, উত্তেজনা তৈরির চেষ্টায় থাকে, এটা তারই প্রয়াস। এটার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্কই নেই। বরং আমাদের অ্যাপ্রিশিয়েট করা উচিত ছিল যে দেড় বছর সে তার পরিবারকে রেখে এসে দেশের জন্য কাজ করেছে।’
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর দায়িত্ব পালন করা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের দেশত্যাগ নিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ফয়েজ তৈয়ব বিদেশে থাকতেন, রাষ্ট্রীয় কাজ শেষ করে ফিরে গেছেন। তিনি দেড় বছর পরিবারের বাইরে ছিলেন। তার পরিবার নেদারল্যান্ডসেই ছিল, তিনি পরিবারের কাছে ফিরে গেছেন। এটি ভিন্নখাতে প্রবাহের সুযোগ নেই।