• রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জামায়াত আমিররে বাসায় তারেক রহমান আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে: ইসি আনোয়ারুল নির্বাচন-পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস নির্বাচনে অসংগতি ও প্রতিহিংসার অভিযোগে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের মন্ত্রিপরিষদ সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের কারণ জানালেন প্রেস সচিব ধানমন্ডিতে ঢাবি শিক্ষকসহ ৫ জনকে আটকের পর ছেড়ে দিল পুলিশ আমরা সৌভাগ্যবান, যারা সুযোগ পেয়েছিলাম: শেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ নতুন সরকারের স্পিকার হতে পারেন ড. আব্দুল মঈন খান দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় মির্জা ফখরুল

নতুন সরকারের স্পিকার হতে পারেন ড. আব্দুল মঈন খান

প্রভাত রিপোর্ট / ৩ বার
আপডেট : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে। দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা নিয়ে নয়, সংসদের স্পিকার পদের সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন দলীয় ও রাজনৈতিক সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানকে নতুন সরকারে স্পিকারের দায়িত্বে দেখতে চাইছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ নেতারা। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সংসদ গঠন ও নেতৃত্ব নিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক আলাপ‑আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সরকার গঠনের পাশাপাশি বিরোধী বিভিন্ন দলের সঙ্গে সমন্বয়, সাংবিধানিক দায়িত্ব ও পার্লামেন্টের কার্যক্রম পরিকল্পনার মধ্যে স্পিকারের পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
সরকার গঠনের প্রাক্কালে দলের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় স্পিকারের পদে ড. আবদুল মঈন খানের নাম বেশ জোরালোভাবে উঠেছে। দলীয় সূত্র ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, তার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক শক্তি একত্রে তাকে স্পিকারের পদের জন্য অনুকূল প্রার্থী হিসেবে তৈরি করেছে।
ড. মঈন খান বিএনপির রাজনীতিবিদ ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমেন খান এর ছেলে। বাবার হাত ধরেই তিনি রাজনীতি শুরু করেন। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হন। এর আগে খালেদা জিয়ার মন্ত্রীসভার সদস্য হিসাবে তথ্যমন্ত্রী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী (১৯৯৩-৯৬), বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী (২০০২-০৬) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ সাসেক্স থেকে পিএইডি অর্জন করেন। দলীয় নেতা ও বিশ্লেষকরা বলেন, স্পিকার পদটি শুধু সংসদ সূত্রে আইন ও অনুষ্ঠান পরিচালনা নয়, বরং বিরোধী দলের সঙ্গে সম্পর্ক, সংসদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও পার্লামেন্টের মর্যাদা রক্ষায় একটি বড় ভূমিকা পালন করে। এই কারণে অভিজ্ঞ ও স্থায়ী নেতাকে এ দায়িত্বে নিয়ে আসা গুরুত্বপূর্ণ।
দলটির সূত্রে জানা যায়, সরকার যেহেতু একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, সেক্ষেত্রে সংসদের কার্যক্রমকে সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করার জন্য একজন অভিজ্ঞ নেতা স্পিকারের পদে বসানো হবে। দলের অভ্যন্তরীণ খসড়া আলোচনায় এই মাপকাঠি থেকেই ড. আবদুল মঈন খানের নাম গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিএনপির একটি উচ্চ পর্যায়ের নেতা বলেছেন, আমরা সরকার গঠনের পাশাপাশি সংসদের কার্যক্রমের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিয়ে কাজ করছি। স্পিকারের পদের জন্য আমরা এমন একজন নেতাকেই বিবেচনা করছি, যিনি দলের নীতি, সাংবিধানিক অর্জন ও সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে সক্ষম।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও