• শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাইবান্ধায় কালোবাজারে তেল বিক্রি করায় পাম্প ম্যানেজারকে কারাদণ্ড গাড়িবহর থামিয়ে কবরে নেমে মরদেহ দাফনে অংশ নিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ‘মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে আমি দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করেছি, সংগ্রাম করছি : ফরহাদ মজহার নীলফামারীতে ঝড়-শিলাবৃষ্টি, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি জামালপুরে সড়ক অবরোধ, জরিমানা করে তেল বিক্রি করালো প্রশাসন তেল সংকটে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অর্ধেকে নেমেছে দূরপাল্লার বাস চলাচল সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আহত ৬ মাদারীপুরে ভাড়া নিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া নাফ নদী থেকে ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি বাজারে বেশি দামে বিক্রি করছে জ্বালানি তেল, ৮০০ লিটার পেট্রোল জব্দ

ফাঁকা বাড়িতে লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল, রেগে আগুন কঙ্গনা

প্রভাত রিপোর্ট / ১৪২ বার
আপডেট : বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫

প্রভাত বিনোদন: স্বঘোষিত বলিউড ‘ক্যুইন’ কঙ্গনা। মুম্বাইয়ে এসে হিমাচলীকন্যা একার দাপটে নিজের সিংহাসন তৈরি করেছেন। বহুবার জুটেছে ঘর ভাঙানি তকমা। সঙ্গী হয়েছে বহু বিতর্ক। তবু দমে থাকেননি। বলিউডের প্রতিষ্ঠিত ‘স্টার সাম্রাজ্য’কে বারবার প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন। আবার রাজনীতিতে নতুন ইনিংস শুরু করে কঙ্গনা রানাউত বুঝিয়ে দিয়েছেন, পর্দার বাইরেও তিনি মণিকর্নিকা। মাণ্ডির সাংসদ পদপ্রাপ্তি হতেই ঝেড়ে ফেলেন বলিউড ক্যুইনের পোশাক। হাবভাবে বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন, অন্যায় হলে চুপ থাকা কিংবা দমে যাওয়ার পাত্রী তিনি নন। এবার বাড়ির ১ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে হিমাচলের কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে রেগে আগুন হলেন এই সাংসদ-অভিনেত্রী।
চব্বিশের লোকসভা ভোটে জিতে মাণ্ডির সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন কঙ্গনা। তারপর থেকেই বলিউডের লাইমলাইট থেকে শত হস্ত দূরে সংসদীয় এলাকায় সময় কাটান অভিনেত্রী। সম্প্রতি মানালিতে এক নতুন রেস্তরাঁও খুলেছেন। বরাবরই নিজের কর্মকাণ্ড কিংবা বেফাঁস মন্তব্যের জেরে চর্চার শিরোনামে বিরাজ করেন কঙ্গনা রানাউত। এবার হিমাচল প্রদেশের কংগ্রেস সরকারকে তোপ দাগলেন অস্বাভাবিক বিদ্যুতের বিল নিয়ে। জানা গেছে, সাংসদ এই নায়িকা বাড়িতে না থাকা সত্ত্বেও ১ লাখ টাকা বিদ্যুতের বিল এসেছে। আর তাতেই চটে লাল কঙ্গনা।
সম্প্রতি মাণ্ডির এক রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকে তোপ দাগতে ছাড়লেন না তিনি। ‘নেকড়ে’ বলেও কটাক্ষ করলেন সরকারকে।
কঙ্গনার মন্তব্য, “এই মাসে আমার মানালির বাড়িতে ১ লাখ টাকা ইলেকট্রিক বিল এসেছে। যেখানে আমি থাকিও না। কতটা দুর্দশা দেখুন। আমি এগুলো পড়ি আর লজ্জা পাই এটা ভেবে যে কী চলছে হিমাচলে। কিন্তু আমাদের কাছে তো একটা উপায় রয়েছে। আমার যে ভাইবোনেরা মাঠে খেটে কাজ করেন, এই দেশ, এই রাজ্যকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমি তো বলব, এরা নেকড়ে। আর আমাদের রাজ্যকে ওদের থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদেরই।”


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও