• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে বিল পাস নাট্যকর্মী মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শিক্ষক আটক আমার স্বামীর সঙ্গে কী ঘটেছিল, একটিবার জানতে চাই : স্ত্রী উর্মি হীরা যুক্তরাষ্ট্রে মাদারীপুরের মেয়ে বৃষ্টি হত্যাকাণ্ড : গ্রামের বাড়িতে মানুষের ভীড় প্লাস্টিক পণ্যের ভিড়ে অস্তিত্ব সংকটে রাণীনগরের ঐতিহ্যবাহী ‘পাতির সপ’ ভুয়া পেজ চালানোর অভিযোগ, সাদিক কায়েমসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে কয়েক দিনের তীব্র গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি ঢাকা বাইক শো-তে সিএফএমওটিও নিয়ে এলো ‘জিহো’ এবং নতুন মোটরসাইকেল লাইনআপ রাজশাহী ব্যাংকার্স ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্টের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন এনআরবিসি ব্যাংক

সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লারের দাম বাড়লো ৫০ টাকা

প্রভাত রিপোর্ট / ৩৯ বার
আপডেট : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগির কেজি এখন ঠেকেছে ২৩০ টাকায়। অর্থাৎ সাত দিনের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
মুরগির বাজারের এই অস্থিরতা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের ওপর নতুন করে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর নিউমার্কেটের কাঁচাবাজারসহ আশপাশের খুচরা বাজারগুলোতে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লারের পাশাপাশি অন্যান্য জাতের মুরগির দামও চড়া। কক মুরগি কেজিপ্রতি প্রায় ৩৫০ টাকা, লেয়ার ৩৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ কমে যাওয়া এবং চাহিদা বেড়ে যাওয়াই এই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ। বিশেষ করে আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে মুরগির চাহিদা বাড়ায় বাজারে এর বড় প্রভাব পড়েছে।
নিউমার্কেটের মুরগি বিক্রেতা মো. আলমগীর বলেন, ‘গত সপ্তাহেও ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি করেছি। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে গেছে। আমরা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি, তাই খুচরায়ও দাম বেড়েছে।’আরেক বিক্রেতা সোহেল মিয়া জানান, রমজান সামনে রেখে অনেক খামারি আগেই মুরগি বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে বর্তমানে সরবরাহ কম থাকায় পাইকারি বাজারে দামের ওপর এর প্রভাব পড়েছে। একই বাজারের বিক্রেতা আবদুল কাদের জানান, এখন ক্রেতাদের চাহিদা অনেক বেশি, ফলে সরবরাহ করা মুরগি দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে বাজারে আসা ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে। মুরগি কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে এতটা দাম বাড়বে ভাবিনি। আগে ১৮০ টাকায় যে মুরগি কিনেছি, এখন সেটা ২৩০ টাকা দিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে সংসারের খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।’
নাসরিন আক্তার নামের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাছ-মাংস সবকিছুরই দাম বেশি। একটা মাঝারি ধরনের মুরগি নিলেই সাড়ে পাঁচশ থেকে ছয়শ টাকা দিতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা অনেক বড় বোঝা।’
এদিকে মাছের বাজারেও দামের তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। বাজারভেদে চাষের পাঙাশ মাছ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং রুই ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কিছু বড় আকারের নদীর মাছের দাম আরও বেশি। এছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছের কেজি ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত ছুঁয়েছে।
সবজির বাজারেও দাম কিছুটা বাড়তি। মান ও আকারভেদে বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং পটল ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, শীতকালীন সবজির মৌসুম শেষ হয়ে আসায় সরবরাহ কমেছে, যার ফলে দাম কিছুটা বেড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও