• মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

চীনা যুদ্ধবিমানে রাফাল কুপোকাত

প্রভাত রিপোর্ট / ১৪৩ বার
আপডেট : রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

প্রভাত ডেস্ক: গত ৬ মে রাত থেকে ৭ মে ভোর পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ বিমানযুদ্ধ সংঘটিত হয়। আকাশে উঠেছিল প্রায় ১২৫টি যুদ্ধবিমান — সংখ্যার দিক থেকে ভারত ছিল পরিষ্কারভাবে এগিয়ে। কিন্তু যুদ্ধ শেষে, পাকিস্তান যখন দাবি করে যে তারা ভারতীয় বিমান বাহিনীর পাঁচটি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছে — যার মধ্যে ছিল তিনটি অত্যাধুনিক ফরাসি ‘রাফাল’ ফাইটার জেট — তখন পুরো বিশ্বজুড়ে সামরিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কারণ এই প্রথম, বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কোনও রাফাল ফাইটার গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনা ঘটল। তবে পাকিস্তান কেবল শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেই নজর কাড়েনি। দেশটির পক্ষ থেকে বড় চমক ছিল, তারা যে প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে — তা পুরোপুরি চীনা: যুদ্ধবিমান, মিসাইল, রাডার ও ইলেকট্রনিক ওয়্যারফেয়ার সিস্টেম সবই চীন-নির্মিত।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই লড়াইয়ের পর চীন ও পশ্চিমা দেশের সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভবিষ্যতের বৃহৎ শক্তির সংঘর্ষে যেসব অস্ত্র ব্যবহৃত হতে পারে, তার একটি বাস্তব নমুনা দেখা গেল এই যুদ্ধে। এই সংঘাতের নানা ঘটনাও সামরিক বিশ্লেষকদের মাধ্যমে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হবে।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (আরইউএসআই) ওল্টার ল্যাডউইগ বলেন, “অনেক বছর পর আমরা সত্যিকারের রাষ্ট্র-ভিত্তিক তথা এক রাষ্ট্রের সঙ্গে আরেক রাষ্ট্রের বিমানযুদ্ধ দেখলাম। এটি শুধু অস্ত্রের পরীক্ষা নয়, একটি যুদ্ধনীতিরও দৃষ্টান্ত। আকাশযুদ্ধে পাকিস্তানের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ভারতের বিমান বাহিনীর রাফাল ফাইটার জেট ভূপাতিত করেছে — এমন প্রমাণ সামনে আসার পর, চীনের যুদ্ধবিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চেংদুর শেয়ারদর মাত্র দুইদিনে ৪০ শতাংশ বেড়ে যায়।
ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সামরিক মহাকাশ বিভাগের সিনিয়র ফেলো ডগলাস ব্যারি বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, “চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের বিমান যুদ্ধ সংক্রান্ত সম্প্রদায়গুলো যতটা সম্ভব আসল সত্য — কৌশল, পাল্টা কৌশল, পদ্ধতি, কোন সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছিল, কোনটা কাজ করেছিল এবং কোনটা করেনি — তা বের করতে অত্যন্ত আগ্রহী হবে।”
চীনা সামরিক গবেষক রিক জো বলেন, পাকিস্তান-ভারত এই সংঘর্ষ চীনের জে-১০সি এবং পিএল-১৫ মিসাইলের বিশ্বে গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা ইনস্টিটিউটের মতে, পাকিস্তানের প্রায় ৮১ শতাংশ সামরিক সরঞ্জাম এখন চীনা এবং তাদের ৪০০টিরও বেশি বিমান বাহিনীর অর্ধেকই চীনা প্রযুক্তি নির্ভর।

সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও