প্রভাত সংবাদদাতা,বরিশাল: বরিশালে বেশ কিছুদিন ধরেই মাছের দাম চড়া। এতে সাধারণ মানুষ মাছ কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। তবে সব ধরনের সবজির দাম এখন সাধারণের নাগালের মধ্যেই রয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছের বাজার ও বহুমুখী সিটি মার্কেট পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এদিকে নগরীর পোর্ট রোড পাইকারি মাছ বাজারে দেখা গেছে, নদীর মাছের সরবরাহ না থাকায় চাহিদা ও দাম দুটোই বেড়েছে চাষের মাছের। সপ্তাহ ব্যবধানে আকার ও প্রকারভেদে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে পছন্দের মাছ কিনতে না পারার আক্ষেপ ক্রেতাদের কণ্ঠে।
সাজ্জাদ হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, আগে এক কেজি চিংড়ি মাছ ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় কিনেছি। এখন সেই চিংড়ি মাছ ১৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে অন্যান্য মাছের দামও বেড়েছে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী পছন্দের মাছ কিনতে না পেরে তেলাপিয়া ও পাঙ্গাশ মাছ কিনতে হয়।
মাছ ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন বলেন, মাছের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলে দাম কম থাকে। সরবরাহ কম থাকলে দামে প্রভাব পড়ে। তাছাড়া নদীতে আগের মতো মাছের দেখা নাই তাই চাষের মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ গত কয়েকদিন ধরে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। করলা ৩০ টাকা, কাঁকরোল ৪০, পেঁপে প্রতি কেজি ১৫-২০ টাকা, পটোল ৩০-৩৫, রেখা ২০, লাউ প্রতি পিস ২৫, মিষ্টি কুমড়া ২৫-৩০, শসা ১৫, ঢ্যাঁড়স ৩৫, লেবু ৩ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি আবার খুচরা বাজারে কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বহুমুখী সিটি মার্কেট পাইকারি সবজির বাজারে শুভ নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সবজির সরবরাহ কম থাকায় দামে প্রভাব পড়েছিল। এখন সরবরাহ বাড়লেও বৃষ্টির কারণে বেচা-বিক্রি নেই, তাই দামও কম।
এদিকে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে মুরগির বাজারে। কিছু দিন ধরে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৬৫-১৭০ টাকা, লেয়ার ৩৬৫, আর সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ টাকায়। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম।