মো.বিল্লাল মোল্লা, কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মামা-ভাগিনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, রোববার রাত আনুমানিক আটটায় উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের উলুকান্দি গ্রামে।
আহতরা হলো সুমন সরকার,সাইফুল সরকার,অন্তসত্ত্বা মমতাজ বেগম,শামিম ভূইয়া,ইয়াছিন, শিউলি আক্তার,নুর মোহাম্মদ ,মানিক ও আলম।
আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৭ জনকে ঢাকা প্রেরণ করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। তারা হলেন, সাইফুল সরকার,অন্তঃসত্ত্বা মমতাজ বেগম, শিউলি আক্তার,নুর মোহাম্মদ ,মানিক ও আলম ভূইয়া।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উলুকান্দি গ্রামের হারুন নামের এক ব্যক্তি নাকি বলেছেন চকের বাড়ির সব পোলাপান গাঁজা ও ইয়াবা সেবন করে। এই কথার উপর ভিত্তি করে ঘটনার সুত্রপাত ঘটে।পড়ে স্থানীয়রা বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়ার কথা বলে উভয়কে আশস্ত করেন।
এদিকে রোববার রাতে হারুনের পক্ষ নিয়ে মানিক,আলম,নুর মোহাম্মদ, ইয়াছিন ও শামিম সংঘবদ্ধ হয়ে ভাগিনা সুমন ও সাইফুলের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।এসময় ভাগনি অন্তঃসত্ত্বা মমতাজ বেগমসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ আহত হয়েছে।
আহত ভাগিনা সুমন সরকার বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই দিন আগে ঝগড়া হয়েছিল। এইটা বিচার করে দিবে বলে আজাদ মেম্বার দায়িত্ব নিয়ে ছিল। কিন্তু বিচারের আগেই আমাদের ওপর হামলা করে প্রতিপক্ষের মামা শহিদ,আলম,শামিম, মানিক ও তাদের লোকজন। এসময় আমার চাচাতো বোন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা মমতাজকেও মারধর করে আহত করেছে। মমতাজ ও আমার ছোট ভাই সাইফুল ঢাকা মেডিকেল চিকিৎসাধীন আছে।
অপর পক্ষের মামা শামিম ভূইয়া বলেন, আমাদের বাড়ির হারুন নাকি বলেছে,চকের পোলাপান সব গাঁজা ও ইয়াবা খায়।এই কথা নিয়ে ঝগড়া হয়েছে। আমাদের ৪ জন ঢাকা মেডিকেল আছে। এদের মধ্যে নুর মোহাম্মদের ডান চোখের অবস্থা আশঙ্কা জনক।
তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিরুল হক জানান শুনেছি উলুকান্দি গ্রামে মারামারি হয়ে।এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা নিব।