প্রভাত বিনোদন: চার দশকের বেশি সময় পর অভিনয়ে ফিরছেন নাট্যনির্দেশক সৈয়দ জামিল আহমেদ। স্পর্ধা একাডেমির গোলমাথা আর চোখামাথা নাটকে তাঁকে একজন বিচারকের ভূমিকায় দেখা যাবে। এটি একটি অতিথি চরিত্র। জার্মান নাট্যকার বের্টল্ট ব্রেখটের নাটকটি অনুবাদ করেছেন অনিরুদ্ধ অনু এবং পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিচ্ছেন মহসিনা আক্তার।
বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে তিন দিনে নাটকটির পাঁচটি প্রদর্শনী রয়েছে। ২৩ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়, ২৪ জুলাই বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এবং ২৫ জুলাই বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।
সৈয়দ জামিল আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, ১৯৮৪ সালে ফণীমনসা নাটকে শেষবার অভিনয় করেছিলেন। এরপর আর অভিনয়ের জন্য মঞ্চে ওঠেননি তিনি।
সৈয়দ জামিল আহমেদের ভাষ্য, ছাত্রীর (মহসিনা আক্তার) নির্দেশনায় কাজ করছি। এটা আমার জন্য গৌরবের বিষয়। মহসিনা আমার চেয়ে ভিন্ন পদ্ধতিতে কাজ করেন। তাঁর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা খুবই আনন্দের। নাটকটিতে বেবি বুমার থেকে জেনজি—চার প্রজন্মের মেলবন্ধন ঘটছে। সৈয়দ জামিল আহমেদ বলেন, ‘একজন নির্দেশকের মঞ্চে কাজ করা দরকার। মঞ্চে অভিনয় করলে অভিনয়ের সংকটটা বোঝা যায়। অভিজ্ঞতাটি নির্দেশক হিসেবে আমার কাজে লাগবে।’
নাটকটিতে সৈয়দ জামিল আহমেদ ছাড়াও তিতাস জিয়া, ফাইযা চৌধুরী, ফাতিমা নুজহাত কাদেরী, শামস ইমন, ইভা আফরোজ খান, নুসরাত জাহানসহ অনেকে অভিনয় করছেন। নাটকটি আগে স্পর্ধা একাডেমি অব পারফর্মিং আর্টসের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে মঞ্চে এনেছিলেন মহসিনা আক্তার।
চাকা, বিষাদসিন্ধু, এক হাজার অউর এক থি রাতে, বেহুলার ভাসান, সঙ ভঙ চঙ, রিজওয়ান, জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা, বিস্ময়কর সবকিছু, আমি বীরাঙ্গনা বলছিসহ বেশ কয়েকটি নাটকের নির্দেশনা দিয়েছেন সৈয়দ জামিল আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক।