• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
Headline
পদ্মার বুকে বিচ্ছিন্ন জনপদ, বেঁচে থাকাই যেখানে সংগ্রাম মুক্তাগাছায় নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু: স্বাস্থ্যসচিব পুলিশ সপ্তাহ শুরু রবিবার, ১০৭ জনকে পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা ও দেশে ফেরার রাষ্ট্রাচারে পরিবর্তন রাজধানীতে ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব, ডেঙ্গুর ভয় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দেশের রাজনৈতিক ইকোসিস্টেমের প্রতিফলন: ড. ইফতেখারুজ্জামান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে নির্বাচনের আগে দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে: তারেক রহমান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর বানানো ‘স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষকের কষ্টের ফসল হারানোর বেদনা অনেক : কৃষিমন্ত্রী

Reporter Name / ৪ Time View
Update : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বর্তমান সরকার কৃষকদের মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে। দেশের ৭৫ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাদের কষ্টে ফলানো ফসল হারানোর বেদনা অনেক। এ সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা। কৃষকদের উন্নয়নে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছে। শনিবার (৯ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর মেদির হাওর পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
কৃষকদের ভেজা ধান সরকারি গুদামে সংগ্রহের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে জেলা পর্যায়ে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের কোটা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাইকিং করে করে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। কারণ এই সরকার কৃষকদের ন্যায্যমূল্য দিতে চায়।
কিশোরগঞ্জের অল ওয়েদার রোড সম্পর্কে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, এই সড়কটির কারণে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় কি না তা অনুসন্ধানে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি করা হয়েছে। তারা কাজ করছেন। যদি কোথাও সমস্যা থাকে সে অনুযায়ী সমাধানে তারা কাজ করবেন।
এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, নাসিরনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিকেলে মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ত্রাণ সহায়তা হিসেবে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।
এদিকে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও ভারী বৃষ্টিপাত না থাকায় মেদির হাওরসহ বিভিন্ন হাওরের পানি অনেকটা কমেছে। হাওরে তলিয়ে থাকা ধানি জমি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। এতে স্বস্তি রয়েছে কৃষকদের মধ্যে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা তাদের কেটে আনা ফসল শুকাতে পারছেন। তবে বেশিরভাগ ধানি জমি পানিতে তলিয়ে থাকায় ধান অনেকটা নষ্ট হওয়ার উপক্রম। এ নিয়ে কৃষকদের মধ্যে হাহাকার বিরাজ করছে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি মৌসুমে নাসিরনগর হাওরে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী ঢলের পানিতে ৩০৫ হেক্টর ধানি জমি তলিয়ে যায়। যার মূল্য প্রায় ১৩ কোটি টাকা। তবে কৃষকরা বলছেন ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category