• মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
Headline
আবার যুদ্ধে জড়ালে তোমাকে একাই লড়তে হবে, আমরা নেই: নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রে ব্যয় রেকর্ড বেড়েছে: গবেষণা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান সাময়িক বরখাস্ত হরমুজের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ লাক্ষাদ্বীপে মদ বিক্রির অনুমতি দিচ্ছে ভারত নিউইয়র্কে বাস্কেটবল খেলা দেখতে গিয়ে দর্শকদের দুয়োধ্বনি শুনলেন ট্রাম্প সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বাজেটে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকছে ৮ শতাংশ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার নতুন কৃষিঋণ তহবিল গঠন পাঁচ মাসে ছয়টি শিল্পাঞ্চলে কয়েক হাজার শ্রমিক ছাঁটাই অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেবে সচেতন গ্রাহক ফোরাম

৩০ জুন পর্যন্ত বেড়েছ ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের বিশেষ নীতি সহায়তার মেয়াদ

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

প্রভাত অর্থনীতি: ব্যবসায়ীদের আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠা এবং ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ কমানোর লক্ষ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ নীতি সহায়তার মেয়াদ ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে ২০২৫ সালে প্রবর্তিত বিশেষ নীতি সহায়তা কাঠামোর বাস্তবায়নে নতুন কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সংশোধিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ঋণ পুনর্গঠন ও বিশেষ নীতি সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ শর্তে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের সময়সীমাও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে যারা ইতিমধ্যে এই সুবিধা নিয়েছেন বা ব্যবসায়িক ও আর্থিক পুনর্গঠন কমিটির সহায়তা পেয়েছেন, তারা পুনরায় আবেদনের যোগ্য হবেন না।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে সব ঋণ এখনো খেলাপি হয়নি বা নিয়মিত আছে, সেগুলো ৩০ জুন পর্যন্ত বিশেষ সুবিধায় পুনর্গঠন করা যাবে। অন্যদিকে, ইতিমধ্যে মন্দ বা খেলাপি হয়ে পড়া ঋণগুলো বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধায় চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ পাবে।
ব্যাংকগুলোকে আবেদন পাওয়ার সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। তবে ডাউন পেমেন্টের চেক নগদায়ন বা অন্য কোনো পেমেন্ট ইনস্ট্রুমেন্ট আদায়ের পরেই কেবল এই তিন মাস সময় গণনা শুরু হবে। ডাউন পেমেন্ট আদায় হওয়ার আগে কোনো আবেদন কার্যকর হবে না।
বিশেষ ‘এক্সিট’ সুবিধা নেয়া ঋণ হিসাবগুলোর ক্ষেত্রেও নতুন নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসব ঋণকে ‘এক্সিট অ্যাকাউন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে এবং প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে জেনারেল প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে হবে। প্রকৃত আদায় না হওয়া পর্যন্ত আগের সংরক্ষিত স্পেসিফিক প্রভিশন আয় হিসেবে দেখানো যাবে না। এছাড়া, পুরো অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান ঋণসীমার বাইরে নতুন কোনো ঋণ পাবে না।
একই সঙ্গে ৩০০ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে নীতি সহায়তা দেওয়ার আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিলেকশন কমিটির অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ এখন থেকে ব্যাংকগুলো নিজেরাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে দেশের ব্যাংক খাতে মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ রয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category